Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:০৬
পাহাড়ে কলার বাম্পার ফলন
ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি
পাহাড়ে কলার বাম্পার ফলন

পার্বত্য অঞ্চলে কলার বাম্পার ফলন হয়েছে। পাহাড়ে উৎপাদিত এসব কলা স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সারা দেশেই রাঙামাটির বরকল, নানিয়াচর, লংগদু, জুরাছড়ি, কাপ্তাই, বাঘাইছড়ি ও সাজেক ইউনিয়নে, বান্দরবানের আলীকদম, রুমা, রোয়াংছড়ি এবং থানছি ও খাগড়াছড়িতে চাষ হওয়া কলার সুনাম রয়েছে।

প্রতিবছর এসব এসব এলাকার পাহাড়ে বাংলা কলা, চাম্পা কলা, আনাচি কলা, সাগর কলা, ও সূর্য্যমুখি কলার উৎপাদন বেশ ভালো হয়। এখানকার পাহাড়ি মাটি কলা চাষের উপযোগী হওয়ায় সারা বছর এসব পাহাড়ি অঞ্চলে কলার ফলন ভাল হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাঙামাটিসহ অপর দুই পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে এবার কলার প্রচুর ফলন হয়েছে। এমনকি লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে উৎপাদনে।

স্থানীয় এলাকা ছাড়িয়ে পার্বত্য জেলার কলা বাজারজাত হচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। স্থানীয় কৃষকরা জানান, পাইকারি দরে কলার ছড়া বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে। কিন্তু স্থানীয়ভাবে কোথাও হিমাগার না থাকায় এবং যোগাযোগ দুর্গমতার কারণে সঠিক সময়ে সুষ্ঠু বাজারজাত নিয়ে আশংকা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাহাড়ি জেলাগুলোয় কৃষকরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি কলা চাষ করে আসছে । ফলনও হচ্ছে লক্ষ্যমাত্রার অধিক। সারা দেশের মধ্যে তিন পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন জাতের কলা সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়। এ সব কলা খেতে খুব মিষ্টি। তাই ক্রেতাদের চাহিদা বেশি।

রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শান্তিময় চাকমা জানান, পাহাড়ে এখন আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তিতে কলার চাষ হচ্ছে। তাই পাহাড়ে কলার উৎপাদন বেড়েছে। কিন্তু কলা সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় চাষীরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। হিমাগার স্থাপন করলে কলা চাষের সম্ভাবনাময় স্থান হিসেবে পরিচিতি পাবে পার্বত্য জেলাগুলো।


বিডি প্রতিদিন/২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬/ফারজানা

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow