Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৪১
ট্যাম্পাকো ট্র্যাজেডি; এখনও কাটেনি বিসিকের অচলাবস্থা
টঙ্গী প্রতিনিধি:
ট্যাম্পাকো ট্র্যাজেডি; এখনও কাটেনি বিসিকের অচলাবস্থা
ফাইল ছবি

গাজীপুরের টঙ্গী বিসিক শিল্প এলাকার ট্যাম্পাকো ফয়েলস এন্ড প্যাকেজিং কারখানায় ঘটে যাওয়া  ভয়াবহ অগ্নি দুর্ঘটনায় বিসিকের কার্যক্রম অচল হয়ে পড়েছে। বিসিকে ঢোকার মেইন সড়কটি সকাল থেকে রাত দশটা পর্যন্ত বন্ধ থাকে।

এতে করে  স্কুল শিক্ষার্থী, কারখানা শ্রমিক, কর্মচারী এমনকি মালবাহী গাড়ি চলাচল করতে পারছে না। ফলে অনেকটাই অচলাবস্থা বিরাজ করছে সেখানে।  

এ সমস্যা কবে নাগাদ শেষ হবে সে বিষয়টি কারো জানা নেই। বিসিক গার্মেন্টস মালিকরা বলেন, বিসিকের মেইন সড়কটি বন্ধ করে দেয়ায় আমাদের চলাচলে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বর্তমানে কারখানার মালবাহী গাড়ী মধুমিতা সড়ক দিয়ে চলাচলের কারণে যানজট  লেগেই থাকে। ফলে মধুমিতা থেকে বিসিক পৌঁছাতে সময় লাগে ১ থেকে দেড় ঘণ্টা।  ব্যবসায়ীদের মাল আনা নেওয়া করতে চরম অসুবিধা হচ্ছে। তাছাড়া এই ঘটনার খবরে বিদেশী ক্রেতারা বিসিকে প্রবেশ করছে না। স্থানীয় এক কাউন্সিলর আবুল হোসেন বলেন ঘটনার পর পর টাম্পাকো কারখানার পূর্ব পাশ দিয়ে বিসেকে ঢোকার মেইন সড়ক এবং পশ্চিম পাশের সড়কটি বন্ধ করে দেয় পুলিশ। ফলে বিসিক ব্যবসায়ীরা ও মালবাহীগাড়ি মধুমিতা সড়কটি ব্যবহার করতে গিয়ে প্রায় সময়ই যানজট লেগে থাকে। এতে দুর্ভাগের শিকার হয় এলাকাবাসী। বিসিক ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত একটু সমস্যা হবে।  

এদিকে বিসিক কারখানা মালিকরা দেশনেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নি দুর্ঘটনায় ধসে যাওয়া ট্যাম্পাকো কারখানা মালিকের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি ফের পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দেয়ার দাবি জানান। এতে করে ওই কারখানার শত শত শ্রমিক আবার তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।

অপরদিকে ট্যাম্পাকো কারখানায় হতাহত শ্রমিকদের পরিবারে আর্থিক সহযোগীতা দেবে বিসিকে অবস্থিত প্রায় দেড় শতাধিক কারখানা মালিক কর্তৃপক্ষ। বিসিক মালিক সমিতির উদ্যোগে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি কারখানা মালিক অনুদান হিসেবে ১ লাখ, দুই লাখ করে টাকা দিয়েছেন। এ বিষয়ে বিসিক মালিক সমিতির সেক্রেটারা মো.মহিউদ্দিন বলেন, হতাহতদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশে আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি। টাকা উঠানো কার্যক্রম চলছে। এ পর্যন্ত ৮-৯ লাখ টাকা উঠানো হয়েছে। টাকা উঠানো শেষ হলে স্থানীয় এমপি’র উপস্থিতিতে হতাহতদের মাঝে টাকা প্রদান করা হবে।  


বিডি প্রতিদিন/২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬/হিমেল

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow