Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর, ২০১৬ ১৯:২৯
পর্যাপ্ত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নেই নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলে
নোয়াখালী প্রতিনিধি:
পর্যাপ্ত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নেই নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলে

নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকায় জনসংখ্যার তুলনায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা অপ্রতুল। যেসব এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে সেগুলোর অবস্থাও তেমন ভালো নয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ফলে ঝড় জলোচ্ছাসের সময় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নিশেহারা হয়ে পড়ে লোকজন।  

সরকারিভাবে নোয়াখালীর হাতিয়া, সুবর্ণচর, কোম্পানীগঞ্জ, করিরহাট ও সদর উপজেলার দক্ষিনাংশে ২৭শ' ৬১ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বরের ভয়াল গর্কিতে এসব চরে ব্যাপক প্রাণহানী ঘটে।  

এরপর ১৯৯১ সালসহ বিভিন্ন সময়ে সিডোর, আইলা ও মহাসেনসহ ছোট বড় অসংখ্য ঝড় জলোচ্ছাসের আঘাত লাগে এসব চরে। এসব চরের জনসংখ্যা এখন সাড়ে ১৩ লাখের বেশি। তাদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নেই । যেসব আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে সেগুলোর অবস্থাও খুব খারাপ। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর দূরত্ব এবং ধারণ ক্ষমতা কম হওয়াতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় স্থানীয়রা সেগুলোর ওপর ভরসা পাননা বলে অভিযোগ করেছেন।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো: শাহজাহান কবির জানান, নোয়াখালীতে ২৫০টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছে। এর মধ্যে ৮টি আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবহারের অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রের ধারণ ক্ষমতা ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০ জন। এছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ব্যবহারের জন্য স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসাগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়।


বিডি প্রতিদিন/১৪ অক্টোবর ২০১৬/হিমেল

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow