Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৭

প্রকাশ : ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১১:১৮
আপডেট :
পঞ্চগড়ে ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড়ে ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত
প্রতীকী ছবি

গত তিনদিনে সূর্যের দেখা মেলেনি সর্ব উত্তরের জেলার পঞ্চগড়ে। এখানে দিনভর মেঘাচছন্ন আকাশ আর কুয়াশায় আবৃত্ত থাকছে সবকিছু। হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে শীতের তীব্রতা। গভীর ঘনকুয়াশা আর শীতের কারনে অনেকটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। একেবারে গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছাড়া ঘর হতে বের হচ্ছেন না কেউ। হাসপাতালে শিশু রোগীদের ভিড় বাড়ছে। বেড়েছে শীতজনিত রোগবালাইও। হঠাৎ করেই যেন মাঘের শীত বাঘের গায়ে এসে পড়েছে।

উত্তরের হিমালয় পাহাড় থেকে নেমে এসেছে এই হাড় কাঁপানো শীত। যেন শীতবুড়ি হঠাৎ দাঁত কামড়ে জাপটে ধরেছে উত্তরের এই জনপদকে। সবাই যেন অপেক্ষা করছে কবে দেখা যাবে সূর্যের মুখ।

তেঁতুলিয়া আাবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমবায়ুর প্রভাবে শীতের মাত্রা কম থাকলেও গভীর ঘনকুয়াশা আচ্ছাদিত করে ফেলছে চারদিক। কুয়াশার কারনে সূর্য়ের দেখা মিলছে না এই অঞ্চলে। সারাদিন ঘন কুয়াশায় আবৃত্ত থাকছে সবকিছু। এতে শীত খুব একটা না ভোগালেও কুয়াশার কারনে অস্বস্তিতে পড়েছে মানুষ। কুয়াশা আর শীতের কারনে  ছিন্নমূল ও হতদরিদ্র মানুষের আয় উপার্জনও কমে গেছে। ফলে কষ্টও বেড়েছে তাদের।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩’র মধ্যে উঠা নামা করছে। শীতের হাত থেকে রেহাই পেতে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে উত্তাপ নিচ্ছেন। সন্ধ্যা নামলেই পঞ্চগড় শহরে নেমে আসছে সুনসান নিরবতা। আগে ভাগেই সবাই ঘরে ফিরছেন। গভীর কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও হেড লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে চালকদের।
 
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ মনোয়ার হোসেন জানান, শীতের কারনে শিশুদের হাম এবং ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। হাসপাতালেও রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। শিশুদের উষ্ণ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।  

বিডি-প্রতিদিন/০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭/মাহবুব

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow