Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৩:৪০ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৩:৪১
রায়পুর সরকারী কলেজে শিক্ষক সংকট, লেখাপড়া ব্যাহত
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :
রায়পুর সরকারী কলেজে শিক্ষক সংকট, লেখাপড়া ব্যাহত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর সরকারী কলেজ ষাটের দশকে ৪ জন শিক্ষক ও ১২০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান শুরু হয়। বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২ হাজারের মত।

শিক্ষার্থী অনুপাতে শিক্ষকের সংখ্যা একেবারেই কম। যে কারণে পড়ালেখা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

তৎকালীন জমিদার মিয়া বংশের মৌলভী আলী আহম্মদ চৌধুরী পৌরসভার কেরোয়া গ্রামে সাড়ে ১৪ একর জমিতে এলাকার কয়েকজন শিক্ষানুরাগী নিয়ে ১৯৭০ সালে কলেজটিতে একাদশ শ্রেণি ও ১৯৮০ সালে স্নাতক (পাস) শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ১৯৮৭ সালের ২৮ মার্চ প্রতিষ্ঠানটি সরকারী হয়।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, অধ্যক্ষসহ এ কলেজে ১৭ জন শিক্ষকের পদের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ৮ জন। ৯টি পদ শূন্য রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পাঠদান অনিয়মিত হয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চরম হুমকির মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে বাংলা বিভাগে ১ জন প্রভাষক ইসলামের ইতিহাস বিভাগে ১ জন, ব্যবস্থাপনা বিভাগে ১ জন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ১ জন করে শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ ছাড়া অর্থনীতি, পদার্থবিজ্ঞান ও কৃষিশিক্ষা বিভাগে প্রভাষক পদ শূন্য রয়েছে।

শিক্ষক সংকটের এ পরিস্থিতিতে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চলছে না। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, একাদশ ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষক না থাকায় অতিথি শিক্ষক দিয়ে এবং অন্য বিভাগের শিক্ষকরা আমাদের ক্লাস করান। কলেজ খোলা থাকলেও শিক্ষকের অভাবে ক্লাস না হওয়ায় পড়ালেখা বিঘ্নিত হচ্ছে।

রায়পুর সরকারী কলেজের হিসাব বিজ্ঞানের প্রভাষক মামুন খান ও যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের প্রভাষক মো. হানিফ মিয়া বলেন, কলেজে দীর্ঘদিনের এ অবস্থার কারনে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। রুটিন মোতাবেক একাডেমিক কার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না।

রায়পুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল কাদের শিক্ষক সংকটের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারিতে এ কলেজে যোগদান করি। ১৭ জনের মধ্যে শূন্য পদে ৯ জন শিক্ষকের জন্য মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ডিজির কাছে ৬ বার শূন্যপদের তালিকাসহ লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে। শূন্য পদের বিপরীতে এখনো কোন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

বিডি-প্রতিদিন/০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭/মাহবুব

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow