Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২০:১৯ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
বগুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ভাংচুর
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া:
বগুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ভাংচুর

এসএসসি পরীক্ষা হলে কড়াকড়ি আরোপের জের ধরে বগুড়া সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিক্ষুব্ধ এসএসসি পরীক্ষার্থীরা হামলা ও ভাংচুর করেছে। পরীক্ষা হলে নির্ধারিত সময়ের আগে খাতা নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলে রবিবার দুপুরে জিলা স্কুলের পরীক্ষার্থীরা এ ভাংচুর চালায়।

পরে জিলা স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ ঘটনা স্থলে গিয়ে ছাত্রদের সরিয়ে নিয়ে আসে।

সংশ্লিষ্ট স্কুল সূত্র জানায়, বগুড়া সরকারী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে থেকে ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯৬৭ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। এর মধ্যে বগুড়া জিলা স্কুলের পরীক্ষার্থী রয়েছে ২৬৬ জন। পরীক্ষা হলে কড়াকড়ি আরোপ নিয়ে কয়েক দিনে ধরেই জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কক্ষ পরিদর্শকদের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলো। এই কড়াকড়ির কারণেই জিলা স্কুলের পরীক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে যায়। গণিত পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থিরা নির্ধারিত সময়ের আগে খাতা নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তোলে। এই অভিযোগে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকটি চেয়ার ও কক্ষের জানালা ভাংচুর করে। খবর পেয়ে জিলা স্কুলের শিক্ষক ও পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে।

বগুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন জানান, রবিবার গণিত পরীক্ষার সময় পরীক্ষা হলে তার শিক্ষকরা নিয়ম অনুযায়ি দায়িত্ব পালন করেন।

এতে জিলা স্কুলের পরীক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়। পরীক্ষা শেষে হল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর স্কুল থেকে কয়েক শ’ শিক্ষার্থী পুনরায় পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে বিক্ষোভ সহ হুমকি দেয়। জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা সেখানে কয়েকটি চেয়ার ও কক্ষের জানালা ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেয়।

বগুড়া জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী আকন্দ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, তারা পরীক্ষার্থীদের সাথে অসদচারণ, পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে নির্ধারিত সময়ের আগেই উত্তরপত্র কেড়ে নিয়েছেন। এতে করে ছাত্ররা বিক্ষুব্দব্ধ হয়েছে। কোন হামলার ঘটনা ঘটেনি।  

বগুড়া সদর থানা পুলিশ জানায়, পরীক্ষা হলে দেখাদেখি করতে না দেয়া সহ কড়াকড়ি আরোপের জের ধরে হামলা ও ভাংচুর হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহউদ্দিন

 

আপনার মন্তব্য

up-arrow