Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৭:৫০ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
বড়াইগ্রামে মাছ ধরতে বাধা প্রদান, বিপাকে পাঁচ শতাধিক মৎস্যজীবী
মো. নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর:
বড়াইগ্রামে মাছ ধরতে বাধা প্রদান, বিপাকে পাঁচ শতাধিক মৎস্যজীবী

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের বিল দোবিলা মৌজায় ৯০ বিঘা জলকরের একটি খাস জলমহালে মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে বাধা দিচ্ছে প্রভাবশালী একটি মহল। ধারালো অস্ত্রের মুখে তাদেরকে সরিয়ে দেয়াসহ দুটি মাছ ধরার নৌকা পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

এতে দুটি গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক মৎস্যজীবি পরিবার-পরিজন নিয়ে দারুণ বিপাকে পড়েছেন।  

জানা যায়, আটুয়া ও মালিপাড়া গ্রামের পাঁচ শতাধিক দরিদ্র মৎস্যজীবী বিল দোবিলায় মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। শুকনো মৌসুমে বিলের তলদেশে ৯০ বিঘা জলকরের জলমহালে মাছ ধরেন তারা। কিন্তু এ বছর জলমহালে মাছ ধরতে গেলে লক্ষীচামারী গ্রামের আজাদ মোল্লাসহ স্থানীয় কিছু জোতদারেরা জলমহালের জমি তাদের দাবি করে মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে বাধা দেয়। বাধা অমান্য করে মাছ ধরতে যাওয়ায় ইতোমধ্যে কয়েকজন মৎস্যজীবীকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করার ঘটনাও ঘটেছে। সর্বশেষ গত শনিবার রাতে মৎস্যজীবীদের দুটি মাছ ধরার নৌকা পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বর্তমানে বিলের পানি শুকিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রভাবশালীদের বাঁধার মুখে জলমহালে মাছ ধরতে না পেরে পরিবার-পরিজন নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন তারা।  

এব্যাপারে আটুয়া গ্রামের মৎস্যজীবী জয়নাল আবেদীন জানান, মাছ ধরতে তো দিচ্ছেই না, উপরন্তু নৌকাটাও পুড়িয়ে দিয়েছে। মাছ ধরতে না পারায় স্ত্রী-সন্তানের মুখে তিনবেলা ভাত তুলে দিতে পারছি না। অভিযুক্ত আজাদ মোল্লার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে জলমহালের পাহারায় থাকা তার প্রতিনিধি কোরবান আলী জলমহালের জমি কিনে নেয়া হয়েছে দাবি করলেও এ ব্যাপারে আর কোন কথা বলতে রাজি হননি।  
বড়াইগ্রাম থানার ওসি শাহরিয়ার খান জানান, বিষয়টি আমি জানি। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।  

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার

আপনার মন্তব্য

up-arrow