Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০৮:৩০ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৩:১৯
বরিশালে জ্বালানীবাহী ট্যাংকারের ইঞ্জিন রুমে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশালে জ্বালানীবাহী ট্যাংকারের ইঞ্জিন রুমে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪

বরিশালে নগরীর চাঁদমারী সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে জ্বালানীবাহী একটি ট্যাংকারের ইঞ্জিন বিস্ফোরন হয়েছে। এতে ইঞ্জিন রুমটি বিধ্বস্ত হয় এবং ৩জন মারাত্মক সহ ৪জন দগ্ধ হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাত ৮টায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে বিস্ফোরনে অয়েল ট্যাংকারের সাড়ে ৯ লাখ লিটার জ্বালানীর কোন ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিস্টরা।  

দগ্ধ ৪জন হলেন ট্যাংকারের কর্মচারী শহিদুল ইসলাম, মো. হুমায়ুন, নাজমুল এবং সুফিয়ান। তাদের শেরে-ই বাংলা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।  

শেরে-ই বাংলা মেডিকেলের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারী ইউনিটের রেজিস্ট্রার ডা. মো. শাহিন বলেছেন, জাহাজের ইঞ্জিন রুম বিষ্ফোরনে আহত ৪জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২জনের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে এবং একজনের মাথায় রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাদের অবস্থা আশংকাজনক। অপরজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সার্জারী ওয়ার্ডে প্রেরন করা হয়েছে।  

জ্বালানীবাহী 'এমটি এ্যাংকরেজ' জাহাজের কোয়ার্টার মাস্টার নাজমুল হক জানিয়েছেন, "চট্টগ্রাম যমুনা অয়েল ডিপো থেকে সাড়ে ৯ লাখ লিটার জ্বালানী নিয়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারী জাহাজটি বরিশালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। গত ১৫ ফেব্রুয়ারী জাহাজটি বরিশাল নগরীর চাঁদমারী সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর ঘাটে এসে নোঙ্গর করে। স্থানীয় ডিপো কর্মকর্তাদের ক্লিয়ারেন্স পেয়ে জ্বালানী খালাসের জন্য গতকাল শনিবার রাত পৌঁনে ৮টার দিকে জাহাজটি চাঁদমারী ঘাট থেকে কীর্তনখোলা নদী তীরের বরিশাল যমুনা অয়েল ডিপোতে যাওয়ার জন্য ইঞ্জিন চালু করেন। এ সময় বিকট শব্দে ইঞ্জিন রুমে বিস্ফোরন হয়। এতে ধোয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। কিছুক্ষন পর আগুনের তীব্রতা কমে যায়। এরপর তারা দগ্ধ ৪জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরন করেন। " 

বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আলাউদ্দিন জানান, "জ্বালানীবাহী জাহাজে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে তারা নগরীর চাঁদমারী ঘাট সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে ভাসমান জাহাজের ইঞ্জিন রুমে গিয়ে কাপড় চোপড়ে আগুন জ্বলতে দেখেন। তারা আগুন নিয়ন্ত্রন করেন এবং আহত ৪জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরন করেন। একই সাথে তাদের অগ্নিনির্বাপক জাহাজের সাহায্যে ক্ষতিগ্রস্থ জাহাজটি যমুনা অয়েল ডিপোর ঘাটে পৌঁছে দেন। " 

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আলাউদ্দিন জানান, "ট্যাংকারটি এখন সম্পূর্ন বিপদমুক্ত। ট্যাংকারে থাকা জ্বালানী দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে। " 

অয়েল ট্যাংকারে থাকা সাড়ে ৯ লাখ লিটার জ্বালানীর মধ্যে ৩ লাখ লিটার পেট্রোল এবং সাড়ে ৬ লাখ লিটার ডিজেল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিস্টরা।  

 

 

বিডি-প্রতিদিন/ ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭/ আব্দুল্লাহ সিফাত-১৩

আপনার মন্তব্য

up-arrow