Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৬:৫২ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘট স্থগিত
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া:
বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘট স্থগিত

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে রোগীর আত্মীয়র (এ্যাটেনডেন্টের) সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অপ্রীতিকর ঘটনার জের ধরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ডাকা ধর্মঘট সোমবার বিকালে স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে সকালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা নিরাপত্তাসহ ৭ দফা দাবিতে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে মানববন্ধন সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে।

এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলাকালে সোমবার সকালে হাসপাতালের কান্সার বিভাগে এক রহস্যজনক শব্দে অনেকে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ওই শব্দটি গুলির শব্দ কিনা সে বিষয়টি পুলিশ নিশ্চিত হতে না পারলেও পুলিশ জানিয়েছে পুরো বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। রহস্যজনক ওই শব্দের পর ঘটনাস্থলে কাঁচের জানালায় ফুটো দেখতে পাওয়া যায়।

রবিবার হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে আলাউদ্দিন সরকার নামে এক রোগীর সঙ্গে আসা এ্যাটেনডেন্টের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অপ্রীতিকর ঘটনা এবং রোগীর ওই এ্যাটেনডেন্ট ইন্টার্ন চিকিৎকদের হাতে প্রহৃত হয়। এমনকি রোগীর এ্যাটেনডেন্ট আব্দুর রউফ নামে ওই ব্যক্তিকে কান ধরে ওঠবসও করান হয়।

অপরদিকে ইন্টার্ণ চিকিৎসকরাও তাদের লাঞ্চিত করা হয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ এনে রবিবার দুপুর থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয়। এতে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ব্যহত হয়। উদ্ভুত পরিস্থিতে সোমবার দুপুরে হাসপাতালের পরিচালকে কক্ষে কলেজের অধ্যক্ষ, বিএমএ নেতৃবন্দৃ সহ সিনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কয়েক দফা বৈঠক হয়। এতে হাসপাতাল ও কলেজ প্রশাসনসহ চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ ইন্টার্ন চিকিৎসদের দাবি বাস্তুবায়নে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন। প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে বলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মুখপাত্র ডা. কুতুব উদ্দিন জানিয়েছেন।

বগুড়া বিএএম’র সাধারণ সম্পাদক ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. সামির হোসেন মিশু ধর্মঘট স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইন্টার্ণ চিকিৎসকদের দাবি পুরণে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

আপনার মন্তব্য

up-arrow