Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : ৮ মার্চ, ২০১৭ ১৭:১২ অনলাইন ভার্সন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান
মোঃ রফিকুল আলম, চাঁপাইনাববগঞ্জ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ২১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান। এতে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

এরমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার গণকা সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের দুই নম্বর ভবনের পাঁচটি কক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। পঞ্চম শ্রেণির কক্ষটি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। ভবনের দেয়াল, ছাদের বিম ও মেঝেতে ফাটল দেখা দেয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সর্বক্ষণ আতঙ্কের মধ্যে থাকেন।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাকরুবা খাতুন জানায়, সব সময় ভয় ও আতঙ্কে থাকার কারণে পড়ায় ঠিকমত মন বসেনা। ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আল সাইফ, আলেয়া খাতুন, জাহিদ হাসানসহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, ক্লাশরুমে সব সময় ভয়ে থাকি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জোহরা খাতুন জানান, ১৯৬৩ সালে ভবনটি নির্মাণ করা হয়। গত চার বছর পূর্বে ভবনটির ছাদের ভিমে ও দেয়ালে ফাটল দেখা দেয়। ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ক্লাশ চলাকালীন প্রায়শই ছাদের ভিম থেকে সিমেন্ট ও খোয়া ঝরে পড়ে।

এখন পর্যন্ত বড় কোন দুর্ঘটনা না ঘটলেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে থাকে।

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নিয়ে উদ্বেগের কথা অভিভাবক ও শিক্ষকরা কমিটিকে জানিয়েছেন। কমিটি নতুন ভবনের জন্য দুইবার লিখিত আবেদন জানিয়েছে। এছাড়াও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে একাধিকবার মৌখিকভাবে অনরোধ করা হলেও এখন পর্যন্ত নতুন ভবন তৈরির কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

এব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামিম আহমেদ খান জানান, গণকা সারকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়টি জানিয়েছেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের কাছে গণকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ২৬টি বিদ্যলয়ের তালিকা পাঠানো হয়েছে। তারা সরেজমিন তদন্ত করে যেগুলো মেরামত যোগ্য সেগুলোকে মেরামত এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে ভেঙ্গে ফেলে নতুন ভবন তৈরির বিষয়ে জানানো হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow