Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : ১০ মার্চ, ২০১৭ ১২:৫৪ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
যত্রতত্র ফেলে রাখা আর্বজনায় বিপাকে ঠাকুরগাঁও পৌরবাসী
আব্দুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও
যত্রতত্র ফেলে রাখা আর্বজনায় বিপাকে ঠাকুরগাঁও পৌরবাসী

ঠাকুরগাঁও শহরে যত্রতত্র ফেলে রাখা আর্বজনার দুর্গন্ধে বিপাকে পৌরবাসী। ফেলে রাখা আবর্জনার দুর্গন্ধ বাতাসে মিশে যাওয়ায় নষ্ট হচ্ছে স্বাভাবিক পরিবেশে।

পঁচা দুর্গন্ধে সাধারণ মানুষের পথচলা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ালেও যেন দেখার কেউ নেই।  

জেলার বে-সরকারি সংগঠন ইএসডিওর প্রকল্পের ময়লায় এ অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ইএসডির প্রকল্প বাস্তবায়নে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের রাস্তার পাশে বাসা-বাড়ির ময়লা আবর্জনা স্তুপ করে ফেলে রাখা হচ্ছে। ময়লা আবর্জনার প্রকট গন্ধে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিসহ নানাবিধ সমস্যায় এলাকাবাসীসহ স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে পথচারী ও স্থানীয় এলাকাবাসী।  

শহর ঘুরে দেখা গেছে পৌর শহরের পুরাতন কবরস্থান সেনুয়া নদীর রাস্তার পাশে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা গাড়ি দিয়ে প্রতিনিয়ত ময়লা-আবর্জনা ফেলছে। আর এসব ময়লা একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে নেয়া হচ্ছে শহরের বিভিন্ন বাসা বাড়ি থেকে। আর প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখায় হুমকির মুখে পড়েছে জনস্বাস্থ্যও। শুধু একস্থানে ময়লা ফেলা হচ্ছে তা নয়।

শহরের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামের সামনের রাস্তার পাশেও ফেলা হচ্ছে ময়লা।

প্রতিদিন সাধারণ মানুষ ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়ার পথে মুখে কাপড় চেপেই পার হতে হয়। বৃষ্টি হলেই দুর্গন্ধ ময়লা চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ায় দুর্ভোগ বাড়ে।  

সেনুয়া এলাকার বসবাসরত আবু খায়ের, রহম, গোলাম ও বাবলু জানান, জোরে বাতাস বইতে শুরু করলে ঘরের ভেতরেও গন্ধ প্রবেশ করে। এসময় নিঃশ্বাস নেয়া দুর্বিষহ হয়ে পড়ে।  

যেখানে ময়লা ফেলা হচ্ছে তার পাশেই সিএম আইয়ুব উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপেন্দ্র নাথ ঝাঁ জানান, স্কুলের অনেক ছাত্র-ছাত্রী সেনুয়া নদীর পাশ দিয়ে যাওয়া আসা করে। অতিরিক্ত দুর্গন্ধের জন্য শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়া অনেক কষ্টকর হয়ে উঠেছে। আমরা এর সমাধান চাই।  

ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা. আবু মো. খায়রুল কবির জানান, খোলা জায়গায় ময়লার দুর্গন্ধ নানা রকম রোগের কারণ হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলা দরকার।

এ বিষয়ে বে-সরকারি সংগঠন ইএসডি’র নির্বাহী পরিচালক শহীদ উজ জামান জানান, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।  

ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র মির্জা ফয়সল আমিন জানান, বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষ নজরে আনবে।  


বিডি প্রতিদিন/১০ মার্চ, ২০১৭/ফারজানা

আপনার মন্তব্য

up-arrow