Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০১৭
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল, ২০১৭ ১৬:৫৮ অনলাইন ভার্সন
আপডেট :
আলো ছড়াচ্ছে তেকানী আব্দুল মান্নান বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া:
আলো ছড়াচ্ছে তেকানী আব্দুল মান্নান বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল

সমাজের অবহেলিত অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের জন্য স্থাপিত বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের তেকানী আব্দুল মান্নান অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে। যমুনা ও বাঙ্গালী নদীর চরাঞ্চলে ও নদীর সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকা পরিবারগুলোতে জন্ম নেওয়া অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুগুলোর শিক্ষা নেওয়ার কেন্দ্রস্থল এটিই।

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের পশ্চিম তেকানী এলাকায় বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক মোঃ সাইফুল ইসলাম ২০১৫ সালে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নামে ওই স্কুলটি স্থাপন করেন। প্রথমে ওই বিদ্যালয়ে হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও মাত্র ২ বছরের ব্যবধানে বর্তমান ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দের শতাধিক।  

বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, দুর্গম চরাঞ্চলের বাবা-মা তাদের অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়েদের নিয়ে বিদ্যালয়ে এসেছেন। আবার ক্লাস শেষ হলে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। এসময় উপজেলার চর খাবুলিয়া এলাকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মা আনোয়ারা বেগম জানান, চরাঞ্চলে তাদের প্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার সুযোগ হবে তা কখনো তিনি চিন্তাও করেননি। তাদের মতো যাদের বাড়িতে অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সন্তান আছে তাদের অনেকেই ওই বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে নিয়ে আসেন। এসময় তিনি ওই প্রতিষ্ঠনে লেখাপড়ার মান ভাল বলে প্রশংসা করেন।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল সমাজের অবহেলিত অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে তাদের পরিবারের মাঝে যে আশার আলো দেখিয়েছেন তা গোটা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। এই কারণেই যমুনা ও বাঙ্গালী নদীর চর বেষ্টিত গ্রামগুলোর অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ সৃষ্টির কারণে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছেন।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ সামিউল ইসলাম বলেন, চরাঞ্চলে অবহেলিত অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুদের লেখাপড়ার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে তা প্রশংসনীয়।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা শাকিলা দিল হাসিন বলেন, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ফলে নদীভাঙ্গন এলাকার অটিজম ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।  

 


বিডি প্রতিদিন/২১ এপ্রিল ২০১৭/হিমেল

আপনার মন্তব্য

up-arrow