Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : ১৭ জুলাই, ২০১৭ ১৭:২৪ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৭ জুলাই, ২০১৭ ১৯:০৭
বান্দরবানের নতুন পর্যটন স্পট ‘নীল দিগন্ত’ উন্মুক্ত
ফারুক তাহের, বান্দরবান:
বান্দরবানের নতুন পর্যটন স্পট ‘নীল দিগন্ত’ উন্মুক্ত

বান্দরবান পার্বত্য জেলার বিনোদন কেন্দ্রের তালিকায় যুক্ত হলো আরো একটি বিনোদন স্পট ‘নীল দিগন্ত’। যেখানে হাতের মুঠোয় নেয়া যায় রাশি রাশি মেঘ।

সারি সারি সবুজ পাহাড় আর পাহাড়ের উপর মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ানোর দৃশ্য দেখলে যে কারো মন ভরে উঠবে ভালো লাগায়। যেখানে আকাশের সাথে সারিসারি উঁচুনিচু পাহাড়ের মিতালী, পাশেই রয়েছে আদিবাসীদের বৈচিত্রময় জীবন-জীবিকার দৈনন্দিন চিত্র। থানচি উপজেলার নতুন এই বিনোদন স্পট ‘নীল দিগন্ত’ জেলার পর্যটন শিল্পকে আরো সমৃদ্ধ করবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

চিম্বুক পাহাড়ের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র নীলগিরির কাছেই জীবন নগর এলাকা। নীলগিরি থেকে ৪ থেকে ৫ কিলোমিটারের দূরত্বে মনোরম পাহাড়ি পরিবেশে গড়ে তোলা হয়েছে ‘নীল দিগন্ত’। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গড়ে তোলা এই পর্যটন কেন্দ্র থেকে দেশের সর্বোচ্চ পর্বত কেউক্রাডং ও তাজিংডং রেঞ্জ দেখা যায়। এছাড়া দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ পাহাড় ও  মেঘ-বৃষ্টি-রোদের মিতালিও চোখে পড়বে এখানে। জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক গত শনিবার বিকেলে নতুন এই পর্যটন কেন্দ্রটির উদ্বোধনশেষে উন্মুক্ত করেন পর্যটকদের জন্য।

জেলা প্রশাসক জানান, জেলা শহরের বাইরে বিশেষ করে উপজেলাগুলোতে নতুন নতুন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে প্রশাসন উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রায় সাড়ে ৩ একর জায়গায় এই পর্যটন কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে ভিউ পয়েন্ট, হাঁটার পথ, গোলঘর, টিকিট কাউন্টার, ক্যান্টিন ও অনন্য নির্মাণশৈলীর প্রবেশদ্বার রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে ট্যুরিষ্ট পুলিশ। জেলা শহর থেকে জিপ, ট্যাক্সি বা বাসে করে সহজেই এই স্থানটিতে যেতে পারবেন পর্যটকরা। বান্দরবান শহর থেকে মাত্র ৪ হাজার টাকায় জিপ গাড়ি রিজার্ভ করেও যেতে পারেন নীল দিগন্তে।
তিনি জানান, পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে নতুন নতুন পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। এর অংশ হিসাবে নীল দিগন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো।
বান্দরবান জেলা প্রশাসনের পরিচালনায় অন্য পর্যটনস্পটগুলো হচ্ছে, শৈল প্রপাত, মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স, নীলাচল, প্রান্তিক লেক ও চিম্বুক।  

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow