Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৮:৫৯ অনলাইন ভার্সন
বগুড়ায় কাঁচা মরিচের ঝাল কমতে শুরু করেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া:
বগুড়ায় কাঁচা মরিচের ঝাল কমতে শুরু করেছে

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বগুড়ার বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কমতে শুরু করেছে। চলতি ডিসেম্বর মাসের শুরুতেই ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। সেই মরিচ আজ বগুড়ার বিভিন্ন বাজারে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। 

বগুড়ার ফতেহ আলী বাজার, রাজা বাজার, বকশিবাজার, কলোনী বাজার, মাহাস্থান হাট, খান্দার বাজারে মরিচের দাম কমেছে। খুচরা বাজারে মরিচের কেজি বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা করে। আর পাইকারি বাজারে মরিচ বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা কেজি। 

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানান, জেলার কৃষকরা বন্যার পর লাগানো মরিচ বাজারে বিক্রি শেষ করেছে। আবারো মরিচ চাষ শুরু হয়েছে। বর্তমানে হাইব্রীড মরিচ সারা বছর চাষ করা যায়। ভাদ্র মাস থেকে অগ্রাহায়ন মাস পর্যন্ত মরিচ লাগানো হয়। চলতি মৌসুমে এসময়ের মধ্যে আবার আগামজাত চাষ করেছে বন্যাকবলিতরা। উত্তরের জেলাগুলোর মধ্যে বগুড়ায় সবচেয়ে বেশি মরিচ চাষ হয়ে থাকে। জেলার সারিয়াকান্দি, ধুনট, সোনাতলা, শাজাহানপুর, শেরপুর, নন্দীগ্রাম ও বগুড়া সদরে ভালো মানের মরিচ উৎপাদন হয়। 

বগুড়া শহরের ফতেহ আলী বাজারের খুচরা মরিচ বিক্রেতারা জানান, আজ  মরিচের সরবরাহ বেশি হওয়ার কারণে দাম কমেছে। গত তিন দিন ধরে মরিচের দাম কমছেই। ডিসেম্বর মাসের শুরুতে মরিচের দাম বাড়তে বাড়তে ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। সেই মরিচ এখন দাম কমে খুচরা বাজারে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বগুড়ার পাইকারি বাজারের হাট মহাস্থান হাটের কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ি সাইদুর রহমান জানান, ডিসেম্বরের শুরুতে বগুড়ায় কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে পাইকারি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। খুচরা বাজারে একই মরিচ বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকা কেজি। আমদানি কম থাকায় বাজারে হঠাৎ করে বেড়ে যায় মরিচের দাম। তাছাড়া বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে মরিচের ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় উৎপাদন কম হয়েছিল। 

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক প্রতুল চন্দ্র সরকার জানান, জেলায় মরিচ চাষ হচ্ছে ৭ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে। এই জমি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রতি হেক্টরে ফলন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ দশমিক ৪ মেট্রিক টন। কিন্তু বগুড়ায় এবার হেক্টরে (শুকনা) মরিচের ফলন ১ দশমিক ৯ মেট্রিক টন হবে বলে তিনি জানান। তিনি ফলন বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে জানান, জেলায় তিন দফায় বন্যায় নদীর চরাঞ্চলে ব্যাপক পলি পড়েছে। পলি পড়া জমিতে মরিচের ফলন বেশি পাওয়া যায়। 

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow