Bangladesh Pratidin

ফোকাস

  • সুন্দরবনের ৩ জলদস্যু বাহিনীর ৫৭ সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল, ২০১৮ ২১:৫৩ অনলাইন ভার্সন
ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বাদীকে পেটাল আসামি
শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বাদীকে পেটাল আসামি

শরীয়তপুরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বাদী কালু ফকিরকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে ওই মামলার আসামি জুয়েল ঢালীর বিরুদ্ধে। 

সোমবার সকালে সদর উপজেলার বালার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। আহত কালু ফকিরকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কালু ফকিরের ছেলে শহীদুল আলম ফকির পালং মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পালং মডেল থানা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী ফাহিমা আক্তারকে (১০) গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয় ২০০৪ সালের ২৬ জুন। পরের দিন তার বাবা কালু ফকির শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ তদন্ত শেষে সদর উপজেলার রুদ্রকর গ্রামের জুয়েল ঢালীসহ সাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি বর্তমানে শরীয়তপুর জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ওই সাত আসামি জামিনে রয়েছেন।

রবিবার ওই মামলার নির্ধারিত তারিখ ছিল। মামলার আসামিরা আদালতে হাজিরা দিয়ে যান। ওই মামলার প্রধান অভিযুক্ত জুয়েল ঢালী সোমবার সকালে মামলার বাদী ও নিহত ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা কালু ফকিরকে পিটিয়ে আহত করে।

সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কালু ফকির বলেন, ১৪ বছর যাবৎ মেয়ের ধর্ষণ ও হত্যাকারীদের বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। এখনও বিচার পাইনি। আসামিরা মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে,মারধর করছে। মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে অসহায় হয়ে পরেছি।

সোমবার সকাল থেকে জুয়েল ঢালী এলাকা থেকে পালিয়েছে। তার বাড়ি রুদ্রকর গ্রামে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনিরুজ্জামান বলেন,ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বাদীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে অভিযুক্ত জুয়েলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিডি-প্রতিদিন/ ই-জাহান

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow