Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১২ জুলাই, ২০১৮ ১১:০৬ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১২ জুলাই, ২০১৮ ১৪:২৪
জামালপুরে আওয়ামী লীগের ব্যতিক্রমী 'সংগঠন মেলা'
রফিকুল ইসলাম রনি, জামালপুর থেকে:
জামালপুরে আওয়ামী লীগের ব্যতিক্রমী 'সংগঠন মেলা'
bd-pratidin

ব্যতিক্রমী এক  'সংগঠন মেলা'র আয়োজন করেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ। সাংগঠনিক শাখাগুলো ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রমের নানা প্রতিযোগিতামূলক দিক তুলে ধরার জন্য তিনদিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করেছে তারা।

বৃহস্পতিবার সকালে এ মেলার উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের অন্তত দুই ডজন নেতা। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন দলটির যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও বিশেষ অতিথি স্থানীয় সংসদ সদস্য, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এবং আওয়ামী লীগের প্রায় দুই ডজন কেন্দ্রীয় নেতা।

              আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক

একটি পৌরসভা, ৮টি ইউনিয়ন ও ১১৬টি গ্রাম নিয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা। এখানে উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে পর্যন্ত প্রতি স্তরে ৯টি কমিটি; ৮টি সহযোগী সংগঠনের পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিটে আওয়ামী লীগের কমিটি আছে। প্রতিটি সংগঠনের প্রতিটি শাখায় নিয়মিত মিটিং হয়, এবং সেটা সকাল ৮টায়। সাংগঠনিক এ প্রতিযোগিতায় যথাসময়ে মিটিংয়ে উপস্থিতি, সর্বোচ্চ উপস্থিতি, সাংগঠনিক কাজের অগ্রগতিসহ নানা বিষয়ে পারফরম্যান্স বিবেচনায় পুরস্কারও দেয়া হয়। ২০১৪ সাল থেকে এর প্রচলন শুরু হয়। এবার প্রথম এটিকে মেলায় রূপ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে এটি প্রথম কোনো সংগঠন মেলা।

তিনদিনের এই মেলায় মূল সংগঠন ছাড়াও সহযোগী সংগঠনগুলোর ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা শাখা স্টল নিয়ে নিজেদের উপস্থাপন করবে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এ মেলা সম্পর্কে বলেন, এটা একটা মডেল। এটা দেখে অনেকে বুঝার চেষ্টা করবে এনজিও'র মত আওয়ামী লীগের মত বড় দলেও এটি সম্ভব। এটা দেখে অন্যরা করতে আগ্রহী হবে। 

গঠনতন্ত্র মেনে সংগঠন চালানোর জন্য এ প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এটি প্রতিদিন সংগঠনে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতা। প্রায় ৩০ হাজার নেতার এর অন্তর্ভুক্ত; এদের সবার ডাটা আমাদের হাতে আছে। 

এই অভিনব মেলা বা সাংগঠনিক মেলার আবিষ্কার করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান বেলাল।

স্থানীয় এমপি মির্জা আজম বলেন, এই প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে সংগঠনের আভ্যন্তরীণ কোন্দল সৃষ্টি হয় না। নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার মনোভাব তৈরির পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মেরও উপমা সৃষ্টি হয়।


বিডি-প্রতিদিন/১২ জুলাই, ২০১৮/মাহবুব

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow