Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১০ আগস্ট, ২০১৮ ২১:১৫ অনলাইন ভার্সন
'ক্ষতিগ্রস্থদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে'
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
'ক্ষতিগ্রস্থদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে'

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, পায়রা বন্দরের ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি হিসাবে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি সাবাইকে একটি করে বাদি প্রদান করা হবে। পায়রা বন্দর নির্মাণে, দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে আপনারা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তার জন্য এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। 

শুক্রবার বেলা এগারটায় দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রায় নব নির্মিত প্রশাসনিক ভবন ও পুনর্বাসন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এসব কথা বলেন। 
  
তিনি আরো বলেন, যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি তা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে। ৪০টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এই মুহূর্তে কম্পিউটার, ড্রাইভিং ও রাজমিস্ত্রী এ তিনটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ শুরু করতে যাচ্ছি। এ তিনটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ খুবই প্রয়োজন এবং আমাদের দেশে লাইন্সেসধারী ড্রাইভারদের সংখা খুবই কম। প্রশিক্ষিত ড্রাইভার খুবই কম। আমাদের সক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য এখানে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মাহাবুবুর রহমান তালুকদার এমপি, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড.মাছুমুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান কমডোর এম জাহাঙ্গীর আলম, বিএন। এসময় পুলিশ সুপার মইনুল হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তানভীর রহমান, কলাপাড়া পৌরসভার মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লাসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, ১২ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৫৮০০ স্কয়ার ফুটের পাঁচ তলা পায়রা বন্দর প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে। বন্দর সংশিষ্ট বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয় সাড়ে তিন হাজার পরিবার। এসব পরিবারের সাড়ে তিন হাজার সদস্যের মধ্যে ১৫০ জনকে কম্পিউটার, মেশিন (রাজমিস্ত্রী), ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল সদস্যকে প্রশিক্ষিত করে পুনর্বাসন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এসব পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য ৪৯৩ একর জমিতে ১৪ টি প্যাকেজের আওতায় সাড়ে তিন হাজার বাড়ি নির্মাণসহ মসজিদ, স্কুল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।


বিডি প্রতিদিন/১০ আগষ্ট ২০১৮/হিমেল

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow