Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ১৮:১১ অনলাইন ভার্সন
ঈদকে ঘিরে নতুন রূপে সেজেছে পাহাড়
ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি
ঈদকে ঘিরে নতুন রূপে সেজেছে পাহাড়

ঈদকে ঘিরে নতুন রূপে সেজেছে পাহাড়। বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে হোটেল মোটেলগুলো। অতিথি বরণে সম্পন্ন হয়েছে সব প্রস্তুতি। এরই মধ্যে অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে প্রায় হোটেল, মোটেল, রেস্ট হাউস।
রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক বলছে, কোন রকম দুর্যোগ নাথাকলে এ ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নামবে রাঙামাটিতে। দীর্ঘ কয়েক মাসের পর্যটন খরার পর আবারও প্রাণাঞ্চল হয়ে উঠবে পাহাড়। এতে যেমন জমে উঠবে ক্ষুদ্র, মাঝারি পর্যটন সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো, তেমনি বৃদ্ধিপাবে রাঙামাটি পর্যটন খাতে রাজস্ব আয়।
রাঙামাটি রয়েছে, পাহাড়ের পর পাহাড়। কখনো গিরিখাদ, কখনো আবার ছোট্ট নদী। প্রকৃতি এখানে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে। শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা রুপের জৌলুস থাকে সারা বছরই। পার্থক্য কেবল ঋতুর সাজে। অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর রাঙামাটি। এখানে চলে পাহাড়, নদী আর হ্রদের মিলন মেলা। এখানকার প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অদেখা ভুবন। যেখানে অপেক্ষা করছে নয়নাভিরাম দৃশ্যপট।
প্রকৃতির এমন রূপ বৈচিত্র্য যেন হাতছানি দিচ্ছে ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের। তাই ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে পারে হাজার হাজার পর্যটক। আর সেসব পর্যটকদের বরণ করে নিতে চলছে হোটেল মোটেলগুলোতে শেষ মুহুতের প্রস্তুতি। তাই হোটেল, মোটেল ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে বেড়েছে কর্ম ব্যস্ততাও।
রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্স ব্যবস্থাপক সৃজান বিকাশ বড়ুয়া জানান, বর্ষার ভয়াবহতার কারণে দীর্ঘদিন পর্যটক আসেনি পাহাড়ে। তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। তাই আশা করছি এ ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ভির অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি হবে। তাই আগত পর্যটকদের সহায়তার দেওয়ার জন্য সব রকম প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে এরই মধ্যে পর্যটনগুলোকে ঢেলে সাজানোর বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, মো. ছাদেক আহমেদ জানান, রাঙামাটিকে নিয়ে একটা মহা পরিকল্পনা ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছি। ১২ কোটি কাটার এ মহা-পরিকল্পনার প্রস্তাব সরকারের কাছে আমরা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমে প্রেরণ করেছি।
ঈদ কিংবা পুজাই যে কোন সময় রাঙামাটিতে জৌলুস থাকে সারা বছরই। রাঙামাটির সুবলং ঝর্ণা, পর্যটন কমপ্লেক্স, আসামবস্তি সড়ক, প্যাদা টিং টিং, বরগ্যাং ও ফুরামন পাহাড়ের মত অসংখ্য পর্যটন কেন্দ্রেই পর্যটকদের আকর্ষণ থাকে বেশি। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে রাঙামাটি টুরিস্ট পুলিশ।

বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow