Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৬:৪৬ অনলাইন ভার্সন
কম খরচে পারিজা জাতের আউশ ধান চাষে সফলতা
দিনাজপুর প্রতিনিধি:
কম খরচে পারিজা জাতের আউশ ধান চাষে সফলতা

কম সময়ে কম খরচে পারিজা জাতের আউশ ধান চাষ করে আগাম ফসল তুলে ব্যাপক লাভবান হয়েছেন বীরগঞ্জের মার্কুস মার্ডি। এই আউশ ধানের বীজতলা থেকে ফসলের জীবনকাল কমপক্ষে ১০৫ দিন। এই ধানের রোগ-বালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। প্রতি হেক্টরে ৩.৮ মেট্রিক টন ফলন পাওয়া যায়। অধিক ফলন এবং কম সময়ে ঘরে তোলা যায় ফসল। পরে একই জমিতে অধিক ফসল ফলানোর আবারও সুযোগ থাকে।

শুক্রবার সকাল ১০টায় বীরগঞ্জ উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের প্রাণনগর গ্রামে মার্কুস মার্ডির ৫০ শতক জমির পারিজা জাতের আউশ ধান কেটে মাঠ দিবস এর উদ্বোধন করেন কৃষি মন্ত্রণালয় (সম্প্রসারণ) অতিরিক্ত সচিব সনৎ কুমার সাহা। 
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ মাঠ দিবস পালন করা হয়। 

পরে ভোগনগর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে সমমনা লাভজনক কৃষকদের আয়োজনে কৃষক-কৃষাণীদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন অতিথিবৃন্দ। 

উদ্যোক্তা কৃষক মার্কুস মার্ডি জানান, ৫০ শতক জমিতে পারিজা জাতের আউশ ধান রোপন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৬ হাজার টাকা। ৫০ শতক ধান হয়েছে ২০ মন ফসল। যান আনুমানিক মুল্য ১৬ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিয়ে মোট লাভ হয়েছে ১০হাজার টাকা। আগাম ফলন হওয়ায় দাম বেশি পাওয়া যায়। এই ধান চাষে সময়ও কম লাগে। তাই ধান তুলে এই জমিতে ফুলকপি চাষ করা হবে। কপি তুলে আলু এবং আলু তুলে ভূট্টা চাষ করা যায়। অর্থাৎ এক বছরে ৪টি ফসল ঘরে তোলা যায়।

মাঠ দিবসে উপস্থিত ছিলেন ড. শাহজাহান কবীর, ড. মোঃ আবদুল মুঈদ, প্রকল্প পরিচালক ন্যাশনাল এগিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম রতন কুমার দে, উপ-পরিচালক খামার বাড়ী দিনাজপুর মো. তৌহিদুল ইকবাল, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ভোগনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান পান্না, উপজেলা সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মনোরঞ্জন অধিকারীসহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও উপকারী ভোগী কৃষক-কৃষাণীরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পারিজা জাতের আউশ ধানের বীজ বপন করা হয় জুন মাসের ৩ তারিখে। চারা রোপন করা ২৩ জুন। ধান কাটা হয় ১৪ সেপ্টম্বর। অর্থাৎ বীজতলা হতে ফসলের জীবনকাল কমপক্ষে ১০৫ দিন থাকে। এই ধানের রোগ-বালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। প্রতি হেক্টরে ৩.৮ মেট্রিক টন ফলন পাওয়া যায়। 

কৃষি মন্ত্রণালয় (সম্প্রসারণ) অতিরিক্ত সচিব সনৎ কুমার সাহা বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী কৃষি এবং কৃষকদের উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছে। তিনি সার-বীজসহ প্রতিটি কৃষি পণ্য কৃষকের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। 


বিডি প্রতিদিন/১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮/হিমেল

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow