Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২১:৫৬ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:৫৯
বিবাহিতদের নেতৃত্বে ঠাকুরগাঁও ছাত্রলীগ
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :
বিবাহিতদের নেতৃত্বে ঠাকুরগাঁও ছাত্রলীগ

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা ছাত্রলীগের রাজনীতি এখন অছাত্র, ব্যবসায়ী আর বিবাহিতদের হাতে জিন্মি। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিবাহিতদের কমিটিতে না থাকার বিধান থাকলেও জেলা কমিটির সভাপতি ও কয়েকজন সহ-সভাপতি, কয়েকটি ইউনিটের বেশ কয়েকজন নেতা বিবাহিত। কারও কারও আবার সন্তানও রয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দবিরুল ইসলাম বলেন, ২০১৫ সালের ২০ জুলাই এক বছর মেয়াদী জেলা ছাত্রলীগ কমিটি গঠিত হয়েছে। এরপর আর সম্মেলন হয়নি।

ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রলীগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, ছাত্রলীগের জেলা সভাপতি মাহাবুব হেসেন রনি, সিনিয়র সহ-সভাপতি কুরবান আলী, সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মানিক, লিয়নসহ আরও কয়েকজন নেতা বিবাহিত। তাদের মধ্যে অনেকেরই সন্তানও রয়েছে। এছাড়া যাদের ছাত্রত্ব নেই তারাই বেশির ভাগ কমিটিতে স্থান পেয়েছে। ফলে ছাত্রলীগের গৌরব ইতিহাস সম্পর্কে অনেকের অজানা। বিবাহিত ও অছাত্রদের হাতে নেতৃত্ব থাকায় প্রকৃত ছাত্র নেতারা বঞ্চিত হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মাহাবুব হোসেন রনি বলেন, পরবর্তী সম্মেলনের সিদ্বান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের কমিটির মেয়াদ বহাল থাকে। তাছাড়া, কমিটি গঠনের পর কোনো নেতাকর্মী বিয়ে করলে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে থাকতে পারবে না এমন কোনো বিধি-নিষেধ তার জানা নেই।   

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী বলেন, “গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ছাত্রলীগের কমিটিতে বিবাহিতদের স্থান নেই। মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি ও বিবাহিত থাকলে অতি শিগগিরই সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা হবে। 

২০১৭ সালের ১৩ জুলাই সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতির ও সাধারণ সম্পাদকের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটামের পরও ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রলীগের পদধারী নেতারা বিবাহিত হলেও একজন ছাড়া কেউ পদত্যাগ করেননি। এর মধ্যে অনেকের ছাত্রজীবন শেষ হয়ে গেলেও তারা ছাত্রলীগের পদ বহাল রেখেছেন। এ নিয়ে প্রকৃত তরুণ ছাত্র নেতারা প্রকাশ্যে কিছু না বললেও মনে মনে হতাশা ব্যক্ত করছেন। 

বিডি-প্রতিদিন/১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮/মাহবুব

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow