Bangladesh Pratidin

জোড়াসাঁকোর রবি

জোড়াসাঁকোর রবি

জোড়াসাঁকোর ছোট্ট রবি কে ভেবেছে বিশ্ব কবি হবে? কলমে তাঁর জাদুর ছোঁয়া ভালোবাসার মুড়কি মোয়া রবে! কেউ ভাবেনি তবু রবি কাব্য…

হাবু মিয়া

হাবু মিয়া হাঁটে গিয়ে আম পেয়ে সস্তায় তড়িঘড়ি খাঁচাসহ পাকা আর কাঁচাসহ সেই আম কিনে আনে বড় এক বস্তায় আমে খুব পোকা ছিল কম দাম ধোকা ছিল ধোকা খেয়ে হাবু মিয়া পরে তাই পস্তায়।

বৃষ্টির ছায়ারূপ

আকাশ কালো বৃষ্টি এলো ঝুম ঝুমা ঝুম ঝুমুর ঝুম ঐ যে দেখো  বাঁশের সাঁকো বৃক্ষ শাখায় খাচ্ছে চুম।   টিনের চালে ক্ষেতের আলে বইছে ধারা সিক্ত সব ভরছে নদী নিরবধি ভাসছে পুকুর ভিজছে জব।   দুষ্টু ছেলে, সদলবলে ভিজছে জলে দিচ্ছে ডুব কাটছে সাঁতার কে আগে কার? পাড়ি দেবে জলদি খুব।   সকাল দুপুর জলের নুপুর আনছে চোখে ঘুমের রেশ…
ভূতের ভয়

ভূতের ভয়

ছিলাম আমি ভূতের সাথে শুনলো খোকা বাবু , অমনি ভয়ে জড়োসড়ো হলো ভীষণ কাবু।   মায়ের কোলে মুখ লুকিয়ে বললো-মা ভয় পাই , আম্মু…

খোকার ঘুম

তাক ধিনা ধিন তাক ধিনা ধিন তাক ধিনা ধিন ধিনা খোকার চোখে ঘুম আসে না মায়ের আদর বিনা।   তাক ধিনা ধিন তাক ধিনা ধিন তাক ধিনা ধিন ধিন খোকন সোনা মায়ের কোলে ঘুমায় প্রতিদিন।

খোকার হাঁটা

ছোট্ট পায়ে গুটি গুটি খোকন হেঁটে চলে, হেসে হেসে লুটোপুটি তবুও না টলে! সাত রাজ্যের রাজপুত্তুর খোকন সোনা হাঁটে; তাই দেখতে হুড়োহুড়ি লেগেছে তল্লাটে।

নিমন্ত্রণ

সবুজ শ্যামল ছায়ায় ঘেরা আমাদের অই গাঁয় দুর্বাকোমল মাড়িয়ে পায় কে যাবি ভাই আয়। অট্টালিকা নেইকো সেথায় মাঠের পরে মাঠ নদীর বুকে সাম্পান নৌকা শান বাঁধানো ঘাট। কিচিরমিচির পাখির কূজন সূর্য ওঠা ভোরে উঠোনজুড়ে সোনার আলো ঝরেঝরে পড়ে। বাংলা মায়ের স্নেহের কোলে রইল নিমন্ত্রণ শর্ষেফুল আর দেখবি যদি বাতাসের নাচন। পাড়া-পড়শী…

তানহা সোনা

তানহা সোনা কথা কয়না মিটমিটিয়ে হাসে, দোলনা ছেড়ে কোলে চড়তেই অধিক ভালোবাসে।   কোলেও সোনা সি্হর থাকেনা সি্হর থাকেনা খাটে, পারতো যদি উড়াল দিতো বউচি খেলার মাঠে।   খেলা শেষে সাঁঝ বেলাতে ফিরতো যখন ঘরে, বুবু তাহার মলে দিতো কানটি আচ্ছা করে।

লিখতে পারো তুমিও

ছোট্ট বন্ধুরা, তোমাদের জন্যই এই আয়োজন। ছড়া-কবিতা-গল্প লিখে পাঠাও আমাদের ঠিকানায়। সঙ্গে ঠিকানা দিও। ঠিকানা : বিভাগীয় সম্পাদক, ডাংগুলি বাংলাদেশ প্রতিদিন প্লট নং- ৩৭১/এ, ব্লক-ডি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা ইমেইল : danguli71@gmail.com
up-arrow