Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : রবিবার, ১৯ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ১৮ জুন, ২০১৬ ২২:২২
মেট্রোরেল প্রকল্প
যথাযথ বাস্তবায়নে নজর দিন

মেট্রোরেল ও বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প স্বপ্নের গণ্ডি ভেঙে চলতি মাসেই আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করছে। ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রী বহুল প্রতীক্ষিত প্রকল্প দুটি উদ্বোধন করবেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর বরাত দিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ হওয়ার পর শুরু হতে যাচ্ছে বাস্তবায়ন পর্ব। উত্তরা থেকে মতিঝিল শাপলা চত্বর পর্যন্ত মেট্রোরেলের প্রকল্পটি হবে ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ। প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি—জাইকা ১৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা সহায়তা দিচ্ছে। বাকি প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে। ২০২০ সালের মধ্যেই মতিঝিল পর্যন্ত এ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হবে। আর ২০১৯ সালের মধ্যে উত্তরা তৃতীয় প্রকল্প থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশে মেট্রোরেল বাণিজ্যিকভাবে চলাচল শুরু করবে। প্রতি ঘণ্টায় উভয় দিকে ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা যাবে এ রুটে। রাজধানীতে পর্যায়ক্রমে মেট্রোরেলের আরও চারটি রুট নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে দুটি রুট নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। এর একটি গাজীপুর থেকে ঝিলমিল প্রকল্পের দৈর্ঘ্য হবে ৪২ কিলোমিটার। প্রথম পর্যায়ে এ রুটের কাজ হবে এয়ারপোর্ট থেকে কমলাপুর এবং খিলক্ষেত থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত প্রায় ২৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে ১০ কিলোমিটার হবে মাটির নিচে। মহানগরীর পূর্ব-পশ্চিমে সংযোগ বাড়াতে চূড়ান্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলের আরেকটি রুট। এটি নারায়ণগঞ্জের ভুলতা থেকে গাবতলী পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ভাটারা থেকে গাবতলী-হেমায়েতপুর পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটারের কাজ করা হবে। এর মধ্যে ৬ কিলোমিটার হবে মাটির নিচে। মেট্রোরেলের পাশাপাশি একই দিন গাজীপুর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের কাজও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রকল্পে প্রতি ঘণ্টায় ২৫ হাজার যাত্রী যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। তিন মিনিট পর পর ছাড়বে এ প্রকল্পের বাস। রাজধানীর যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে আরও বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। উড়ালসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে যানজট সমস্যা মোকাবিলায় চলছে ব্যাপক তোড়জোড়। আমরা আশা করব প্রকল্পগুলো যথাসময়ে বাস্তবায়নের চেষ্টা  করা হবে। নির্মাণকাজের মান রক্ষায়ও রাখা হবে তীক্ষ নজর।




up-arrow