Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৮ জুন, ২০১৬ ০০:০৮
মেট্রোরেল প্রকল্প
স্বপ্ন পূরণের হাতছানি

দেশের প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্পের কর্মযজ্ঞের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল শাপলা চত্বর পর্যন্ত পথ ৩৮ মিনিটেই অতিক্রম করা সম্ভব হবে। দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করবে মেট্রোরেল যুগে।   উত্তরা থেকে মতিঝিল শাপলা চত্বর পর্যন্ত মেট্রোরেলের প্রকল্পটি ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ।  প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি— জাইকা ১৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা সহায়তা দিচ্ছে। বাকি প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে। ২০২০ সালের মধ্যেই মতিঝিল পর্যন্ত এ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হবে। আর ২০১৯ সালের মধ্যে উত্তরা তৃতীয় প্রকল্প থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশে মেট্রোরেল বাণিজ্যিকভাবে চলাচল শুরু করবে। এ রুটে প্রতি ঘণ্টায় উভয় দিকে ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা যাবে। রাজধানীতে পর্যায়ক্রমে মেট্রোরেলের আরও চারটি রুট নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে দুটি রুট নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। এর একটি গাজীপুর থেকে ঝিলমিল প্রকল্পের দৈর্ঘ্য হবে ৪২ কিলোমিটার। প্রথম পর্যায়ে এ রুটের কাজ হবে এয়ারপোর্ট থেকে কমলাপুর এবং খিলক্ষেত থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত প্রায় ২৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে ১০ কিলোমিটার হবে মাটির নিচে। মহানগরীর পূর্ব-পশ্চিমে সংযোগ বাড়াতে চূড়ান্ত করা হয়েছে মেট্রোরেলের আরেকটি রুট। নারায়ণগঞ্জের ভুলতা থেকে গাবতলী  পর্যন্ত এ রুটটি ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ভাটারা থেকে গাবতলী-হেমায়েতপুর পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটারের কাজ করা হবে। এর মধ্যে ৬ কিলোমিটার হবে মাটির নিচে। মেট্রোরেল প্রকল্পের কর্মযজ্ঞ শুরুর মাধ্যমে স্বপ্ন পূরণের হাতছানিই যেন জানান দিয়েছে। রবিবার একই দিন গাজীপুর থেকে শাহজালাল বিমানবন্দর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের কাজও উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রকল্পে প্রতি ঘণ্টায় ২৫ হাজার যাত্রী যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। তিন মিনিট পর পর ছাড়বে এ প্রকল্পের বাস। রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে আরও বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজধানীর সুষ্ঠু যোগাযোগ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিশেষত মেট্রোরেল বাস্তবায়িত হলে তা সরকারের শিরস্ত্রাণে সাফল্যের সোনালি পালক হিসেবে বিবেচিত হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow