Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ৩ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৫৩
ভেষজ
ভিটামিন ই

সবচেয়ে পরিচিত এন্টি-অক্সিডেন্ট হলো ভিটামিন ই। ভিটামিন ই একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। আলফা, বিটা, গামা ও ডেল্টা-টোকোফেরল, টোকোট্রাইনোল সব কিছুই ভিটামিন ই পরিবারের সদস্য। ভিটামিন ই অণু ফ্রি-র‌্যাডিকেলকে ইলেক্ট্রন প্রদান করার পর এন্টি-অক্সিডেন্ট ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। কিন্তু অন্য একটা ভিটামিন সি ও গ্লুটাথায়োন অণু ভিটামিন ই অণুকে ইলেক্ট্রন প্রদান করে পুনরায় সক্রিয় করে তোলে। ভিটামিন ই চর্বিতে দ্রবণীয় হওয়া সত্ত্বেও এটি ভিটামিন এ ও ডি এর মতো লিভারে বেশি দিন সঞ্চিত থাকে না। তাই অতিমাত্রায় ভিটামিন ই সেবন করে ফেললেও পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা নেই। অন্যসব ভিটামিনের মতো ভিটামিন ই কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হলেও তা প্রাকৃতিক ভিটামিন ই থেকে একটু ভিন্নতর। আর মজার কথা হলো লিভার প্রাকৃতিক ভিটামিন ই এবং কৃত্রিম ভিটামিনের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করতে পারে। লিভার প্রাকৃতিক ভিটামিন ই কে সিনথেটিক ভিটামিন ই অপেক্ষা দ্রুত গ্রহণ করতে পারে। প্রকৃতিতে যেসব খাবারে ভিটামিন ই আছে সেসব খাবার খুবই সহজলভ্য এবং সুলভ মূল্যে আমরা পেতে পারি।

ভাতের মাড় যে জিনিসটিকে আমরা খুবই অবহেলা করি সেটিই হতে পারে প্রাকৃতিক ভিটামিন ই এর এক বড় উৎস। কারণ ভাতের মাড়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই। এছাড়া উদ্ভিজ্জ তেল (অলিভ অয়েল, সূর্যমুখীর তেল, পাম অয়েল ইত্যাদি), সবুজ শাকসবজি, তিসি, মিষ্টি কুমড়ার বীজ, পাকা টমেটো, বাদাম, অঙ্কুরিত শস্য বীজ ও ফলমূলে প্রচুর ভিটামিন ই রয়েছে।

ডা. আলমগীর মতি

up-arrow