Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ জুলাই, ২০১৬ ২৩:১২
বিচিত্রিতা
শোলা

শোলা এক প্রকার উদ্ভিদ; এগুলো ধানখেত ও জলাভূমিতে জন্মে। এ শোলা দিয়ে কারুকার্যময় হরেকরকম জিনিস তৈরি করা হয়। শোলানির্মিত প্রতিমার চালচিত্র ও বিয়ের বর-কনের টোপরের ব্যবহার হিন্দুসমাজে অতীতকাল থেকেই চলে আসছে। টোপরে কদম ফুলের ঝালর থাকে। শিশুতোষ খেলনা ও ঘরের শৌখিন সাজ শোলাশিল্পে বৈচিত্র্য এনেছে। বৃত্তিজীবী মালাকাররা এ শিল্পের রূপকার।

তারা শোলা, সুতা, কাগজ, আঠা ও রঙের সাহায্যে পাখি, হাতি, ফুল, পুতুল, নৌকা, চাঁদমালা, ঝালর ইত্যাদি তৈরি করে মেলা ও হাটবাজারে বিক্রি করে। বৈষ্ণবরা শোলানির্মিত রাধাকৃষ্ণের মূর্তি রাসমঞ্চে প্রতিষ্ঠা করে পূজা করে। তিন সারির কদম ফুল ও পাতার মাঙ্গলিক নামের শোলার শিল্পকর্মটি একটি শৌখিন দ্রব্য; ঘরে ঝুলিয়ে রাখা হয়। ব্রিটিশ আমলে শোলার হ্যাট জনপ্রিয় ছিল। ধারালো ছুরি ও কাঁচি এ শিল্পের প্রধান যন্ত্র। শুকনো শোলার ছাল খুলে এর সাদা অংশ ব্যবহার করা হয়। ছুরি দিয়ে প্রয়োজনমতো শোলা কেটে মালাকার হাতের কৌশলে এসব শিল্পকর্ম     তৈরি করে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow