Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২১ জুলাই, ২০১৬ ২৩:২৭
প্রশংসনীয় উদ্যোগ
প্রবাসীদের কল্যাণে আরও পদক্ষেপ নিন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৌদি আরব সফরের ফলশ্রুতিতে পাল্টে যাচ্ছে সে দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের চালচিত্র। দেশের রেমিট্যান্স আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের পূর্ণ বীমার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এ উদ্যোগের ফলে সৌদি আরবে কর্মরত প্রবাসীরা যে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঝুঁকি, মৃত্যুঝুঁকি, সন্তানের শিক্ষা সুবিধাসহ বীমার আওতায় আসে এমন সব ধরনের ঝুঁকির বিপরীতে সুবিধা পাবেন। বীমা সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি সৌদি থেকে সহজভাবে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুবিধা, প্রবাসী প্রজন্মকে দেশীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করতে বিদ্যালয়ের জন্য নিজস্ব জায়গা এবং মদিনা থেকে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চালুর বিষয়েও কাজ করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো। স্মর্তব্য, বাদশাহ সালমানের আমন্ত্রণে গত মাসের প্রথম সপ্তাহে সৌদি আরব সফর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বেশ কিছু সমস্যা তুলে ধরেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় ফিরে সৌদি প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেন। প্রবাসীদের বীমার আওতায় আনতে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ একটি নতুন পলিসির অনুমোদন দিয়েছে। সৌদি প্রবাসীরাও ওই বীমার সুবিধা নিতে পারবেন। এ ছাড়া তাদের জন্য পৃথকভাবে কোনো বীমা সুবিধা চালু করা যায় কিনা, সে বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রবাসীদের জন্য যে পলিসির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তার আওতায় দেড় হাজার টাকা প্রিমিয়ামে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কাভারেজ দেওয়া হবে দেশীয় কোম্পানির মাধ্যমে। গ্রাহকের যে কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা ও মৃত্যুজনিত দাবিও পূরণ করবে বীমাকারী প্রতিষ্ঠান। এ বীমার আওতায় বীমা গ্রহীতাদের সন্তানদের জন্যও শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হবে। সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশিদের কল্যাণে সরকারের গৃহীত উদ্যোগগুলো প্রশংসার দাবিদার। আমরা আশা করব শুধু সৌদি আরব নয় বিদেশে কর্মরত সব স্বদেশির স্বার্থ সংরক্ষণেও সরকারের পক্ষ থেকে নজর দেওয়া হবে।   সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোকেও এ ব্যাপারে সক্রিয় করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে এমনটিও প্রত্যাশিত।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow