Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৪ জুলাই, ২০১৬ ২৩:১১
ইতিহাস
ভিয়েনার গুরুত্ব

ইউরোপীয় রাজনীতিতে ভিয়েনার অপরিসীম গুরুত্ব এবং অটমান তুরস্কের নিরাপত্তার জন্য এর দখল অনিবার্য ছিল; তৃতীয়ত, সুলতানের সঙ্গে সম্রাটের বিরোধের প্রধান কারণ ছিল চার্লস কর্তৃক সোলায়মানের শত্রু দ্বিতীয় লুই এবং ফার্ডিন্যান্ডকে সাহায্য দান; চতুর্থত, অস্ট্রিয়ার কাছে পরাজিত হয়ে ফরাসি সম্রাট প্রথম ফ্রান্সিস সুলতানকে চার্লসের বিরুদ্ধে অভিযানে প্ররোচিত করেন। ১৫২৯ খ্রিস্টাব্দে সুলতান এক বিশাল বাহিনীসহ ভিয়েনা আক্রমণ করেন। এর ফলে খ্রিস্টান-ইউরোপে ত্রাসের সৃষ্টি হয় এবং খ্রিস্টান ধর্মযাজকরা এমনকি প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মগুরু মার্টিন লুথার তুর্কিদের প্রকাশ্যে অভিসম্পাত করেন। সুলতান ২৭ সেপ্টেম্বর দুই লাখ সৈন্যসহ ভিয়েনা অবরোধ করেন এবং দীর্ঘ তিন সপ্তাহ বলিষ্ঠতার সঙ্গে দুর্গ অবরোধ করে রাখেন। তুর্কি বাহিনীর কামানের আঘাতে দুর্গ প্রাচীর ভগ্নপ্রায় হয়ে উঠে এবং নগরীর পতনও অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে। চার্লস এই সময়ে ফ্রান্স ও ইতালির বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন এবং এই কারণে নগরীর প্রতিরোধ ব্যবস্থা ছিল খুবই দুর্বল। কাউন্ট ডি সালমিসের নেতৃত্বে মাত্র ছয় হাজার অস্ট্রীয় সৈন্য প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। তাদের কামানের সংখ্যাও ছিল মাত্র বাহাত্তরটি। দুর্গ প্রাচীরের ব্যাসার্ধ ছিল মাত্র পাঁচ ফুট। তুর্কি বাহিনী জল ও স্থলপথে ভিয়েনা অবরোধ পরিচালিত করে। চারশত তরীর একটি বহর দানিয়ুব নদীর উজানে ভিয়েনা নগরীর প্রান্তে উপস্থিত হয়।

অসীম দক্ষতা ও অসাধারণ বীরত্ব প্রদর্শন করেও বিভিন্ন কারণে তুর্কিরা ভিয়েনা নগরী দখল করতে পারেনি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow