Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৪ জুলাই, ২০১৬ ২৩:১২
বিচিত্রিতা
কারুশিল্প

কৃষিভিত্তিক সমাজব্যবস্থায় ঝুড়ি একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী উত্তোলন ও মজুত করার জন্য ঝুড়ি ব্যবহার করা হয়। বাংলায় প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত বাঁশ, বেত, দূর্বা, নল খাগড়া, পাতা, তন্তু প্রভৃতি শিল্পীদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতার সুযোগ করে দিয়েছে। কারুশিল্প হিসেবে ঝুড়ি তৈরিতে বুনন, কুণ্ডলীকরণ, পাকানো, বিভিন্ন বর্ণের চৌখুপি দ্বারা শোভিতকরণ বা শিরাতোলন পদ্ধতি গ্রহণ করা। এতে চটা বা বেত দিয়ে ঝুড়ি ও ধামা তৈরি করা হয়। এগুলো মাটি তোলার কাজে ব্যবহার করা হয়। এগুলোকে মজবুত করার জন্য কচুরিপানার পুকুরে বা কর্দমাক্ত ডোবাতে ভিজিয়ে রাখা হয়, জীবাণুনাশক রঞ্জন ও গাব ফলের রস দিয়ে মোছা হয়। ফলে এগুলো ব্রোঞ্জের মতো উজ্জ্বল রং ধারণ করে এবং নির্ভরযোগ্য হয়। বাংলাদেশের সব জেলা ও গ্রামে দৈনন্দিন কাজে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন ধরনের মাদুর-নিদ্রার জন্য, বসার জন্য, খাদ্য শুকানোর জন্য, ছায়া দেওয়ার জন্য ছাদ/চালা মাদুর, দেয়াল-মাদুর বা দরমা, ফলস সিলিং মাদুর ও প্রার্থনার জন্য মাদুর ইত্যাদি তৈরি করা হয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow