Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৫৮
ভেষজ
পুদিনা

পুদিনা সারা দুনিয়ায় লোকজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পরিপাকতন্ত্রে এর কার্যকারিতা আছে এবং রুচি বৃদ্ধিতে সহায়ক।

পেটের ব্যথা, পিত্তথলির রোগ, মাংসপেশির খিঁচুনিতে এর কার্যকারিতা গবেষণা দ্বারা প্রমাণিত। প্রদাহনাশক হিসেবে রিউম্যাটিজম এবং বাত-ব্যথায় পুদিনাপাতা উপকারী।

পুদিনার ব্যবহার— অরুচিতে : যে কোনো রোগে ভোগার পর সাধারণত অরুচি আসে, বিশেষ করে ইনফ্লুয়েঞ্জা বা জ্বরে ভোগার পর। এ ক্ষেত্রে পুদিনার শরবত (পুদিনার রস ২ চা চামচ, সামান্য লবণ, মরিচ চূর্ণ, কাগজিলেবুর রস ৮-১০ ফোঁটা ও হালকা গরম পানি) সকালে একবার ও বিকালে ৫-৭ দিন খেলে অরুচি চলে যায়। পেট ফাঁপায় : বদহজমের জন্য পেট ফাঁপে। পুদিনার শরবত উপরের একই পদ্ধতিতে ২-৩ বার করে কয়েক দিন খেলে পেটে বায়ু জমা বন্ধ হয় এবং পেট ফাঁপা সেরে যাবে। বমি নিবারণে : ডায়রিয়া, আমাশয়, জ্বরে বমি বা বমি বমি ভাব হতে দেখা যায়। ৮-১০ গ্রাম পুদিনা পাতা বেটে পুরনো তেঁতুলের ক্বাথ ১ চা চামচ, একটু চিনি, লবণ ও পানি মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার করে কয়েক দিন খেলে সমস্যা দূর হয়। মূত্রাল্পতায় : অনেক রোগে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়। এ ক্ষেত্রে ঠাণ্ডা, গরমের ফলে সাময়িকভাবে অল্প প্রস্রাব হতে থাকে। ৮-১০ গ্রাম পুদিনা পাতা সামান্য লবণ ও কাগজিলেবুর রস মিশিয়ে শরবত করে ২-৩ বার খেতে হয়। ডায়রিয়াতে : পাতলা পায়খানা, সেই সঙ্গে পেটে মোচড় দিয়ে ব্যথা ও অরুচি, বমি বমি ভাব হলে পুদিনা পাতার রস ৮-১০ ফোঁটা একটু চিনি ও লবণ দিয়ে এক ঘণ্টা পর পর কয়েকবার খেতে হবে।   মিসরে খিঁচুনি ও পেটের রোগে পুদিনা ব্যবহার হয়। ইরান ও ইরাকে পুদিনা পাতা বুক জ্বালাপোড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ডা. আলমগীর মতি

এই পাতার আরো খবর
up-arrow