Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৫৮
কাবা শরিফ বিশ্বাসীদের মহা মিলন কেন্দ্র
মাওলানা মুহম্মাদ শাহাবুদ্দিন

কাবাঘর পুনর্নির্মাণের পর আল্লাহতায়ালা নবী হজরত ইব্রাহিম (আ.)-কে নির্দেশ দেন (হে ইব্রাহিম) তুমি মানুষের কাছে হজের ঘোষণা দাও। তারা পায়ে হেঁটে এবং সর্বপ্রকার কৃশকায় উটের পিঠে সওয়ার হয়ে দূরদূরান্ত থেকে পথ অতিক্রম করে তোমার কাছে আসবে।

আল্লাহর এ হুকুমের পর থেকে হজের বিধান চালু হয়েছে। শত শত বছর ধরে কাবা শরিফ বিশ্বাসীদের মহামিলন কেন্দ্র হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।

হজ মুসলমানদের মধ্যে যারা কাবা শরিফে যাওয়া-আসার আর্থিক সামর্থ্যের অধিকারী তাদের জন্য ফরজ ইবাদত। হজ পালনকারীকে প্রাপ্ত বয়স্ক এবং সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী হতে হবে।

হজ ফরজ হওয়ার শর্তগুলো পূর্ণ হলেই হজ পালন করতে হবে। হজ পালন ওয়াজিব হওয়ার শর্ত পাঁচটি। যথা— ১. শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা। ২. বন্দীদশা অথবা শাসকের পক্ষ থেকে নিষেধ না থাকা বা সম্পূর্ণ স্বাধীন হওয়া। ৩. পথ-ঘাট নিরাপদ হওয়া (উপরোক্ত তিনটি শর্ত নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার জন্য প্রযোজ্য)। ৪. মহিলাদের জন্য স্বামী অথবা অপর কোনো মাহ্রাম সঙ্গে থাকা। ৫. মহিলাদের ইদ্দত পালনের অবস্থা থেকে মুক্ত থাকা।

হজ সহিহ হওয়ার শর্তসমূহ—

১. মুসলমান হওয়া, মূলত মুসলমান হওয়া প্রতিটি ইবাদত আদায়ের পূর্বশর্ত। ২. ইহরাম— যদি কেউ ইহরাম না বেঁধে হজের যাবতীয় অনুষ্ঠানই সম্পন্ন করে, তবু হজ আদায় হবে না।

৩. জিলহজ মাসে হজের নির্ধারিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করা। অর্থাৎ নির্ধারিত সময় মোতাবেক তাওয়াফ, সায়ী, অকুফে আরাফা, রমি বা কঙ্কর নিক্ষেপ প্রভৃতি সম্পন্ন করা।

৪. নির্দিষ্ট স্থানে হজের প্রত্যেকটি কাজ সম্পন্ন করা। যেমন : অকুফ বা অবস্থান (আরাফাতের ময়দানে), তাওয়াফ (মসজিদে হারামে), কোরবানি (হরমের মধ্যে), কঙ্কর নিক্ষেপ মিনায়। হজের কোনো ওয়াজিব অথবা সুন্নত যাই হোক, তার নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া অন্যত্র সমাপন করা হলে তা পালন হবে না।

     লেখক : ইসলামী গবেষক

এই পাতার আরো খবর
up-arrow