Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:২২
ভেষজ
আদার গুণাগুণ

বেহেশতে জান্নাতিদের যেসব পানীয় পান করানো হবে তার মধ্যে আদা অন্যতম। পবিত্র কোরআন শরিফে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, তাদের সেখানে পান করানো হবে জাঞ্জাবিল মিশ্রিত পানীয়।-সূরা দাহর ১৭

আদার ঝাঁজালো স্বাদ সৃষ্টিকারী মূল উপাদানটি হলো জিনজেরল। অন্যান্য ঝাঁজালো স্বাদ সৃষ্টিকারী উপাদানসমূহ হলো শোগাওল, প্যারাডল, জিনজারডিওল, জিনজারডিএসিটেট, জিনজারডিওন, ৬-জিনজার সালফোনিক এসিড, জিনজেরেনোন, ডাইটারপিন, জিনজার গ্লাইকোলিপিড-এ, বি ও সি। অন্যান্য উপাদানের মধ্যে আলফাজিনজিবেরিন, বিটা সেস্কুইফিলাইড্রিন এবং এ আর-কুরকুমিন উল্লেখযোগ্য।

হজমশক্তি বৃদ্ধিকারক ও বায়ু নিঃসারক হিসেবে আদার ব্যবহার খুবই প্রাচীন। তবে আধুনিককালের অসংখ্য গবেষণার মাধ্যমে আদার এন্টি অক্সিডেন্ট গুণসহ অনেক ঔষধি গুণাবলি আবিষ্কৃত হয়েছে। নিম্নে আদার ঔষধি গুণাবলিসমূহ বর্ণনা কর হলো :

প্রদাহ প্রতিরোধী হিসেবে আদায় রয়েছে জিনজেরল নামক এক সক্রিয় জৈব রাসায়নিক উপাদান যা প্রদাহ প্রতিরোধে খুবই কার্যকর।

সাম্প্রতিক সময়ের গবেষণা থেকে জানা যায়, আদায় বিদ্যমান জিনজেরল নামক সক্রিয় উপাদান মলাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধে খুবই কার্যকর।

আদার নির্যাসের রয়েছে এন্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহ প্রতিরোধী ক্ষমতা। আর এই এন্টি-অক্সিডেন্ট গুণের জন্য আদা ডিম্বাশয়ের টিউমার ও ক্যান্সার প্রতিরোধ-নিরাময়ে খুবই কার্যকর। সাম্প্রতিক সময়ের কিছু গবেষণা থেকে জানা যায় যে, আদা রক্তের লিপিড কমাতে সাহায্য করে এবং এথেরোস্ক্লেরোসিস প্রতিরোধ করে। তাই হৃদরোগ প্রতিরোধে আদা খুবই কার্যকর।  প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন রোগ ব্যাধিতে আদা ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

খাওয়ার অরুচি হলে সিকি কাপ পানিতে ২ চা চামচ আদার রস ও সামান্য লবণ মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট মুখে পুরে রেখে ফেলে দিলে খাওয়ার রুচি ফিরে আসে।

আদার রসে একটু মধু মিশিয়ে খেলে উপকার হয়।    ডা. আলমগীর মতি

এই পাতার আরো খবর
up-arrow