Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২০ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৫৫
শত ইকোনমিক জোন
বিনিয়োগ আকর্ষণের পথ দেখাবে

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে সরকার সারা দেশে ১০০টি ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিটি ইকোনমিক জোনে শিল্প স্থাপনের অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

কলকারখানা স্থাপনের পর্যাপ্ত জায়গা যেমন প্রতিটি জোনে থাকবে তেমন তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ শিল্প স্থাপনের অন্যান্য সেবা সহজে পাওয়া যাবে। ইকোনমিক জোনে যারা বিনিয়োগ করবেন তাদের পুঁজির নিরাপত্তা বিধানেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি বেজা আশা করছে, ইকোনমিক জোনগুলোতে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আসবে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে অর্ধশতাধিক জোনের অনুমোদন দিয়েছেন। যেগুলোর ভূমি ও অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ পুরোদমে চলছে। এর মধ্যে সরকারি খাতের ৫৬টি জোনের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে দ্রুতগতিতে। বেসরকারি খাতের আরও ১০টি ইকোনমিক জোনের কাজও চলছে সমানতালে। দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপও দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অনুমতি পেয়েছে। সেখানে ফুড অ্যান্ড বেভারেজসহ বিভিন্ন ধরনের শিল্প গড়ে উঠবে। এ দুটি বেসরকারি ইকোনমিক জোনের কাজও এগিয়ে চলেছে দ্রুতগতিতে, যাতে কমপক্ষে ৪০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। বেজার পক্ষ থেকে আশা করা হয়েছে, ইকোনমিক জোনে স্থাপিত কল-কারখানা থেকে ৪০ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হবে; যা দেশের রপ্তানি খাতকে নিয়ে যাবে এক অনন্য উচ্চতায়। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর উৎপাদন শুরু হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে কমপক্ষে দুই শতাংশ। এর ফলে দেশের কৃষিনির্ভর অর্থনীতির শিল্পনির্ভর অর্থনীতিতে রূপ নেবে। সরকারি পর্যায়ের ১০টি ইকোনমিক জোনের কাজ ইতিমধ্যে প্রায় শেষ হওয়ার পথে। এগুলো এ বছরের মধ্যে উৎপাদনে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে কয়েকটি ইতিমধ্যে স্বল্পাকারে উৎপাদনেও গেছে। সরকারি খাতের অর্থনৈতিক অঞ্চলে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তারাও নির্বিঘ্নে বিনিয়োগ করার সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতির দেশ। প্রতিবছর ২০ থেকে ২২ লাখ মানুষ কর্মবাজারে ঢুকছে। তাদের কর্মসংস্থানে শিল্পায়নই হতে পারে একমাত্র বিকল্প।   এ বিষয়টি মনে রেখে গ্যাস-বিদ্যুৎসহ সব ধরনের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ইকোনমিক জোন সময়ের চাহিদার পরিপূরক হয়ে গড়ে উঠবে আমরা এমনটিই দেখতে চাই।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow