Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৪ মার্চ, ২০১৭ ২২:৪২
সমস্যার নাম শাহজালাল
অচল উড়োজাহাজ সরানোর ব্যবস্থা নিন

 শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে ব্যক্তিমালিকানাধীন চার এয়ারলাইনসের ডজনখানেক পরিত্যক্ত বিমান মাসের পর মাস পড়ে থাকা বিব্রতকর ঘটনা। বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে অন্তরায় সৃষ্টি করছে রানওয়েতে পড়ে থাকা অচল বিমানগুলো।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়েও তা প্রশ্ন সৃষ্টি করছে। এমনিতেই শাহজালালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংশয় রয়েছে। চলতি মাসেই এ বিমানবন্দরের কার্গো নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে ব্রিটিশ একটি টিমের ঢাকায় আসার কথা। তাদের পরিদর্শনের ভিত্তিতে শাহজালালে কার্গো ফ্লাইটের ব্যাপারে যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তার আগেই রানওয়েতে রাখা অচল বিমানগুলো সরিয়ে না নিলে কার্গো ফ্লাইটের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে। এমনিতেই শাহজালালে পণ্য রাখার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। খোলা আকাশের নিচে নষ্ট হয় আমদানিকৃত পণ্য। কার্গো ভিলেজ ও পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় নানা সমস্যা থাকায় ব্যবহারকারীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। কার্গো ভিলেজের সামনে অকেজো উড়োজাহাজগুলো পড়ে থাকায় মালামাল আনা-নেওয়ায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। খোলা জায়গায় মালামালের স্তূপ পড়ে থাকছে দিনের পর দিন। স্মর্তব্য, শাহজালালে প্রতিদিন গড়ে ১২০টি ফ্লাইট ওঠানামা করে। গত তিন দশকে বিমান পথে আমদানি কয়েকগুণ বাড়লেও চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কার্গো ভিলেজ সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমদানিকৃত মালামাল সময়মতো খালাস না হওয়ায় কার্গো শেডে স্থান সংকুলানে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। খোলা আকাশের নিচে মূল্যবান মালামাল পড়ে থাকায় তা যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমন চুরিও হচ্ছে। শাহজালালের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনে কার্গো ভিলেজ সম্প্রসারণের যেমন উদ্যোগ নেওয়া দরকার তেমন রানওয়েতে মাসের পর মাস অচল উড়োজাহাজ পড়ে থাকার প্রবণতাও রোধ করতে হবে।   এমনিতেই শাহজালাল বিমানবন্দরে স্থান সঙ্কুলানের সমস্যা রয়েছে। রানওয়ের এক বড় অংশজুড়ে অচল উড়োজাহাজ পড়ে থাকা কোনোভাবেই বাঞ্ছনীয় নয়।

এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ সচেতন হবেন এমনটিই প্রত্যাশিত।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow