Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৩১ আগস্ট, ২০১৮ ২৩:২৪
ইতিহাস
গিয়াসউদ্দিন তুঘলক

খলজি বংশের অবসানে ১৩২০ খ্রিস্টাব্দে গাজী মালিক ‘গিয়াসউদ্দিন’ উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন। সিন্ধু এবং তুর্কিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলে যেসব কারুণা তুর্কিরা বাস করত, তিনি ছিলেন সে দলের একজন প্রসিদ্ধ ব্যক্তি। বলবনের রাজত্বকালে তার পিতা ভারতে আসেন এবং পাঞ্জাব প্রদেশের একজন জাঠ রমণীকে বিয়ে করে সেখানেই বসতি স্থাপন করেন। তীক্ষ্ন মেধার বলে গাজী মালিক নিম্ন অবস্থা হতে খলজিদের অধীনে উচ্চ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। আলাউদ্দিন খলজির অধীনে মোঙ্গল বিতাড়নের কাজে তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেন এবং এর ফলে ‘সেনাবাহিনীর প্রধান রক্ষক’ উপাধিতে ভূষিত হন। ১৩০৫ খ্রিস্টাব্দে গিয়াসউদ্দিন দিপালপুরের শাসনকর্তা নিযুক্ত হন। দিল্লির সুলতানি শাসনের এক সংকটময় মুহূর্তে তিনি সিংহাসনের আরোহণ করেন। আলাউদ্দিন খলজির দুর্বল উত্তরাধিকারীদের আমলে রাজ্যের সংহতি বিনষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং দেশের সর্বত্র বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা বিরাজ করছিল। কিন্তু সুদৃঢ় মনোবল এবং বিচক্ষণ দ্বারা তিনি অতি অল্প সময়ের মধ্যে সাম্রাজ্যে শান্তি এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সমর্থ হন। বারানীর মতে, বলবনের পরেই তিনি দরবারে কঠোর নিয়মনীতি প্রবর্তন করেছিলেন।

বিভিন্ন কল্যাণকর পরিকল্পনা নিয়ে গিয়াসউদ্দিন রাজত্ব শুরু করলেন। খলজি রাজকুমারীদের বিয়ের ব্যবস্থা করে তিনি সামাজিক সুযশ লাভ করলেন। যেসব আমির-ওমরাহ রাজ্যের শ্রীবৃদ্ধিতে সাহায্য করেছিলেন তাদের তিনি স্বপদে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করলেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow