Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০৯
শিক্ষাঙ্গনের শৃঙ্খলা
প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ প্রশংসার দাবিদার
bd-pratidin

শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে, মনের অন্ধকারা”ছন্নতা দূর করে। শিক্ষা সত্য সুন্দর কল্যাণের পথে মানুষকে চলতে উদ্বুদ্ধ করে। অসত্য অসুন্দর অকল্যাণ থেকে দূরে রাখতে প্রেরণা জোগায়। শিক্ষা সুশৃঙ্খল হওয়ার তাগিদ দেয় শিক্ষার্থীদের। স্বভাবতই শিক্ষার সঙ্গে বিশৃঙ্খলার দূরতম সম্পর্কও থাকার কথা নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কিংবা সন্ত্রাস কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদাও অনেকাংশে নির্ভরশীল সে প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলার ওপর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের ৭ মার্চ ভবন ও জাদুঘর উদ্বোধনকালে সংগতভাবেই প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা সমুন্নত রাখার তাগিদ দিয়ে বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের উ”ছৃঙ্খলতা গ্রহণযোগ্য নয়। নিয়ম মেনেই সবাইকে চলতে হবে। শিক্ষা ত্রে সরকার যে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে সে প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটিকে তিনি বিনিয়োগ বলেই মনে করেন। ভবিষ্যতে দেশ গড়ার জন্য শিতি ও দ মানুষ নির্মাণের জন্য বিনিয়োগ। যারা শিক্ষা দেবেন ও শিক্ষা গ্রহণ করবে, তাদেরও নিজেকে সেভাবেই গড়ে তুলতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনে সরকারের খরচ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বায়ত্তশাসিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের খরচে চলতে হয়, এটাই নিয়ম। কিন্তু আমাদের দেশে শতভাগ খরচই সরকারের প থেকে দেওয়া হয়। তাই শিক্ষার্থীরা যেন নিজেদের দায়িত্ব ভুলে না যায়। দেশ গড়ার জন্য তারা যেন নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তোলে। পড়াশোনা করতে হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ম মেনে সেভাবেই আচরণ করতে হবে। এটাই জাতি আশা করে। আমরা চাই সব দিক থেকে আমাদের ছেলে-মেয়েদের জীবনমান উন্নত হোক, তারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে গড়ে তুলে জাতির পিতার স্বপ্নের ুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। রোকেয়া হলকে নিজের হল বলে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে গর্ববোধ করেন। প্রধানমন্ত্রী ৭ মার্চ ভবন ও জাদুঘর উদ্বোধনকালে শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা বজায় রাখার যে তাগিদ দিয়েছেন তা খুবই প্রাসঙ্গিক এবং প্রশংসার দাবিদার। তবে এ ব্যাপারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র শিক্ষকই শুধু নয় দেশের রাজনীতিকদেরও সচেতন হতে হবে। শিক্ষাঙ্গনে বিশৃঙ্খলার সঙ্গে অপরাজনীতির যে সম্পর্ক রয়েছে তা বন্ধেও নিতে হবে উদ্যোগ।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow