Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০১:১৬
সেবা নিশ্চিত হোক
প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান প্রশংসনীয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইনসের নতুন বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ ‘আকাশবীণা’-এর উদ্বোধনকালে যাত্রীদের সেবা ও শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমানকর্মীদের আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বুধবার দুপুরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা এমনভাবে সেবা দিন যেন কোনো বদনাম না হয়। আমাদের দেশের যেন সুনাম হয়। কারণ, যখন কোনো বিদেশি আসেন বা যান বা দেশে যারা আসেন প্রবাস থেকে, তাদের যেন দ্রুত

মাল খালাস হয়, দ্রুত তারা যেন চলে যেতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, বিমান যাতে ভালোভাবে চলতে পারে সে জন্য আরও নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন করা হবে। আগামী নভেম্বরে আরেকটি ড্রিমলাইনার আসছে। যোগাযোগ একটি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সরকার যোগাযোগ খাতের উন্নয়নে ব্যবস্থা নিচ্ছে। আকাশ, রেল, সড়কপথ সব যোগাযোগব্যবস্থা যাতে উন্নত হয় সেজন্য কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের বিমানবন্দরগুলো উন্নত করা হয়েছে। কক্সবাজার বিমানবন্দরকে বিশ্বমানের করা হচ্ছে। শাহাজালালে থার্ড টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তরও শিগগিরই হবে।

যে কোনো দেশের বিমান সংস্থা বহির্বিশ্বে সে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। জাতীয় পতাকাবাহী বিমানের গুরুত্ব তো আরও বেশি। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, অমিত সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ বিমান দেশবাসীর প্রত্যাশা পূরণে কোনো সাফল্য দেখাতে পারেনি। ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটি, দুর্নীতি এবং ট্রেড ইউনিয়নের নামে যাচ্ছেতাই প্রবণতা বিমানের সব সম্ভাবনাকে ইতিমধ্যে গিলে খেয়েছে। যে দেশের এক কোটির বেশি মানুষ প্রবাসী, যে দেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি সে দেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা অব্যবস্থাপনা আর লোকসানের মুখ দেখবে তা কাম্য হওয়া উচিত নয়। বিমানের কর্মকর্তা-কর্মীদের বড় অংশ যাত্রীসেবার বদলে নিজেদের পকেট ভরার কাজে ব্যস্ত থাকবে তা অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা আশা করব বিমানের বদনাম কাটাতে এবং এটিকে একটি মেয়াদি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে বিমান সংশিস্ন্লষ্টরা উদ্যোগী হবেন। এটি তাদের কর্তব্য বলেও বিবেচিত হওয়া উচিত।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow