Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:৪৮
সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত
বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্ব জোরদার করবে

বাংলাদেশ ও ভারত সহযোগিতার এক নতুন সোপানে পা দিয়েছে গত সোমবার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। ভিডিও কনফারেন্সে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপস্নব কুমার দেব এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীও অংশ নেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভারত থেকে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। একই সঙ্গে ভারতীয় ঋণসহায়তায় বাংলাদেশ রেলওয়ের কুলাউড়া-শাহবাজপুর সেকশন পুনর্বাসন ও আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েল-গেজ রেলসংযোগ নির্মাণ খাতের বাংলাদেশ অংশের প্রকল্প উদ্বোধন হয়। কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। বলেন, ভারত থেকে আরও ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশকে আরও ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়ার যে পরিকল্পনা করছে তাতে নরেন্দ্র মোদির সরকার সম্মতি দেবে এমন আশাবাদও ব্যক্ত করেছেন তিনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ২০১৫ সালে তার বাংলাদেশ সফরের সময় ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়ার বিষয়টি নির্ধারিত হয়। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংযোগ প্রকল্প সম্পন্ন হলে ১ দশমিক ১৬ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারত থেকে বাংলাদেশে যাবে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার স্বপ্ন ও দর্শনের প্রশংসা করেন মোদি। আজকের যুগে উন্নয়ন ও ইন্ধনশক্তি সমার্থক হিসেবে বিবেচিত। ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিদ্যুৎ আমদানি এ সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়। শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশ প্রতিবেশী নেপাল ও ভুটান থেকেও বিদ্যুৎ আমদানির চেষ্টা করছে। এতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার পরিবেশ যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমন অর্থনৈতিকভাবে সব দেশই লাভবান হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow