Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০
শিক্ষার্থীর নৈতিক গুণাবলির বিকাশে করণীয়
‘মা হচ্ছেন শিশুর প্রথম শিক্ষক’
‘মা হচ্ছেন শিশুর প্রথম শিক্ষক’
লায়ন এম. কে বাশার, চেয়ারম্যান বিএসবি-ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ

শিশুদের নৈতিক শিক্ষার ভিত্তি গড়ে ওঠে পরিবার থেকে। পরিবারে মা হচ্ছে তাদের প্রথম শিক্ষক।

মায়ের কাছ থেকেই তারা তাদের জীবনের সামগ্রিক প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পেয়ে থাকে। একটি শিশু তার জীবনের প্রথম ছয় বছরে যা শেখে তা-ই হচ্ছে তাদের জীবনের সেরা শিক্ষা। এক্ষেত্রে মায়েরাই প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকেন। মূলত পরিবার ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা থেকেই শিশুরা নীতি-নৈতিকতা শেখে থাকে। একটা সময় আমাদের সমাজে একান্নবর্তী বা যৌথ পরিবারের আধিক্য ছিল যা এখন ভেঙে ছোটো বা একক পরিবারে পরিণত হয়েছে। ফলে এখনকার পরিবারগুলোতে শিশুরা মূলত গৃহসেবক বা সেবিকাদের হাতেই বড় হচ্ছে। আর গৃহসেবক বা সেবিকারা পরিবারগুলোতে নানা বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে যা শিশুরা নিত্য অবলোকন করছে। পরিবারে শিশুরা যা দেখছে তাই শিখছে। ফলে তারা এক ধরনের নীতি-নৈতিকতাহীনভাবে বেড়ে ওঠছে। এর জন্য মূলত আমরা অর্থাৎ পরিবারের সদস্যরাই দায়ী। এদিকে, আমরা জানি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বলা হয় লাইটহাউস। শিক্ষার্থীদেরকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব তাদেরই। কিন্তু দেশের বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানগুলো এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষা ব্যবস্থা ও ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে এক ধরনের সুন্দর সমন্বয় রয়েছে। কিন্তু আমাদের এখানে সে অবস্থা নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা ধর্মীয় শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণ দরকার। পরিবার, সমাজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করতে হবে যা শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিক ও মানবিক গুণের বিকাশ ঘটাবে। এক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে দেশের অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়তে পারে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow