Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : রবিবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৮ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৫৪
জেএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি
বাংলা প্রথমপত্রে ভালো করতে করণীয়

 মূল বই চর্চার পাশাপাশি কৌশলী হতে হবে।

প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমরা যারা জেএসসি পরীক্ষা দেবে তারা নিশ্চয় জানো বাংলা প্রথমপত্রে দুই ধরনের প্রশ্ন থাকে।

প্রশ্নের একটির ধরন সৃজনশীল আর অন্যটি বহুনির্বাচনী। আজ আমরা জানব কীভাবে বহুনির্বাচনী পরীক্ষায় ভালো করা যায় :

বহুনির্বাচনী পরীক্ষায় ভালো করার জন্য প্রথমত মূল বই চর্চা আর দ্বিতীয়ত কৌশলী হওয়া। কেননা বহু নির্বাচনী প্রশ্নে চারটি বিকল্প উত্তর থাকে। যার মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে হবে। তাই জানার পাশাপাশি এখানে বুদ্ধিমত্তাও কাজ করে। এজন্য মূল বই বারবার পড় এবং গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলোর নিচে দাগ দিয়ে রাখ।

বহুনির্বাচনী প্রশ্ন : মোট প্রশ্ন ৪০টি। মোট নম্বর ৪০। সময় ৪০ মিনিট। গদ্যাংশে ১৫টি, কবিতাংশে ১৫টি এবং আনন্দপাঠ থেকে ১০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে। প্রত্যেকটি প্রশ্নের মান সমান এবং প্রত্যেকটি প্রশ্নের বিকল্প উত্তর থাকবে। বহুনির্বাচনী উত্তরপত্রে টিক চিহ্ন দিতে হবে। উত্তরপত্রে কোন প্রকার দাগ বা কাটাকাটি করবে না।  

বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্রে তিন প্রকারের প্রশ্ন থাকে : ক. সাধারণ বহুনির্বাচনী, খ. বহুপদী সমাপ্তিসূচক এবং গ. অভিন্ন তথ্যভিত্তিক। বহুনির্বাচনী প্রশ্নে সাধারণত ১৬টি জ্ঞানমূলক, ১২টি অনুধাবনমূলক, ৮টি প্রয়োগমূলক এবং ৪টি উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্ন থাকে।

ক. সাধারণ বহুনির্বাচনী অংশ : এ অংশে অধিকাংশ প্রশ্নই স্মৃতিনির্ভর। তোমরা মুখস্থ করে এ প্রকারের প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে। এক্ষেত্রে প্রশ্নগুলো কখনো প্রশ্ন আকারে আবার কখনো অসম্পূর্ণ বাক্য হিসেবে দেওয়া থাকে যা উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। বিকল্প উত্তর চারটি। যার একটি সঠিক। এ বিভাগে জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা এ চারটি উপবিভাগ বিদ্যমান থাকে। এজন্য কবি পরিচিতি, পাঠ পরিচিতি, শব্দার্থ এবং মূল অংশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভিত্তিক প্রশ্নগুলো সরাসরি মুখস্থ করবে।

খ. বহুপদী সমাপ্তিসূচক অংশ : এ অংশ জ্ঞানভিত্তিক স্মৃতিনির্ভর নয়। এর মাধ্যমে মুখস্থ করার পাশাপাশি কতটুকু বুঝে পড়েছ তা পরিমাপ করা যায়। এ প্রশ্নের উত্তর করার সময় ভালো করে অসমাপ্ত বাক্যটির সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য বা বাক্যাংশটি পড়বে। রোমান বর্ণে বরাদ্দ এ প্রশ্নে একটি, দুটি বা তিনটি তথ্যই সঠিক হতে পারে। তাই খুব সাবধানে এ প্রশ্নটির উত্তর করবে। এ স্তরে অনুধাবন, প্রয়োগ এবং উচ্চতর দক্ষতা যাচাই করতে হয়।

গ. অভিন্ন তথ্যভিত্তিক অংশ : এ অংশে প্রশ্নের শুরুতে একটি ভূমিকা, উপাদান বা উদ্দীপক থাকে। যার মাধ্যমে তথ্য সরবরাহ করতে হবে। এটি প্রণয়ন করার ক্ষেত্রে প্রশ্ন প্রণেতা কোনো ঘটনা, চার্ট, ছবি, সারণি, উক্তি প্রভৃতি উপস্থাপন করেন। এর মধ্যেই তোমার পঠিত বিষয়বস্তুর সম্পর্ক রয়েছে। এটি দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। উদ্দীপকটি ভালো করে পড় এবং তোমার পঠিত বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা কর।

ফারুক আহম্মদ, সহকারী শিক্ষক

বাংলা বিভাগ, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল, ঢাকা       

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই পাতার আরো খবর
up-arrow