Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : রবিবার, ৫ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৪ জুন, ২০১৬ ২৩:২৬
স্মরণে আজম খান
শোবিজ প্রতিবেদক
স্মরণে আজম খান

আজকের এই দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে না-ফেরার দেশে পাড়ি জমান বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের পথিকৃৎ আজম খান। তার গান আজও নাড়া দেয় শ্রোতাদের মনে।

আজম খানের সংগীত জীবনের শুরু ষাটের দশকের একেবারে গোড়াতে। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি ‘ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী’র সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে গণসংগীত প্রচার করেন। মুক্তিযুদ্ধেও অংশ নেন আজম খান। ১৯৭১ সালের পর লাকী আখন্দ, হ্যাপী আখন্দ, নিলু, মনসুর ও সাদেককে নিয়ে গড়ে তোলেন ব্যান্ডদল ‘উচ্চারণ’।

দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে বিটিভিতে আজম খানের ‘এত সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রে’ ও ‘চার কালেমা সাক্ষী দেবে’ গান দুটি সরাসরি প্রচারিত হলে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ১৯৭৪ সালে বিটিভিতে ‘বাংলাদেশ’ গান গেয়ে সারা দেশে হৈচৈ ফেলে দেন। ফিরোজ সাঁই, ফকির আলমগীর, ফেরদৌস ওয়াহিদ ও পিলু মমতাজের সঙ্গেও বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গান করেন তিনি। বন্ধু ইশতিয়াকের পরামর্শে সৃষ্টি করেন একটি এসিড-রক ঘরানার গান ‘জীবনে কিছু পাব না’। বাংলা গানের ইতিহাসে এটিই প্রথম হার্ডরক সংগীত বলে বিবেচিত।

১৯৮২ সালে ‘এক যুগ’ নামে আজম খানের প্রথম অডিও অ্যালবাম বাজারে আসে। তার একক অ্যালবাম সংখ্যা ১৭ এবং দ্বৈত ও মিশ্র অ্যালবাম ২৫টির বেশি।

আজম খানের জন্ম ১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আজিমপুরের এক সরকারি কোয়ার্টারে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow