Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : সোমবার, ৪ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৪ জুলাই, ২০১৬ ০০:২৭
বলিউড তারকাদের ঈদ
বলিউড তারকাদের ঈদ

ঈদ মানে আনন্দ। আর এই আনন্দ শুধু বাংলাদেশের তারকাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বলিউডের কোন তারকা কোথায়, কীভাবে ঈদ পালন করেন তা জানতে চান পাঠকরা। তাদের জন্য তুলে ধরা হলো খান পরিবারের কে কোথায় ঈদ করছেন—

শাহরুখ খান

প্রতি ঈদে বান্দ্রায় নিজের বাড়ি ‘মান্নাত’-এর সামনে লোহার খাঁচার ওপর উঠে ভক্তদের উদ্দেশে উড়ন্ত চুমু দেওয়াটা শাহরুখের জন্য একটি অলিখিত নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর ভক্তরাও একবার প্রিয় তারকার দেখা পেতে ভিড় করেন তার বাড়ির সামনে। ঈদ উপলক্ষে নিজ বাড়িতে গত বছর বিশেষ পার্টির আয়োজন করেন শাহরুখ। সেই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের নামিদামি তারকারা। তবে শাহরুখের কাছে বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটানোই ঈদের বড় আনন্দ। এই যেমন গত ঈদে তিনি টুইট করেন, ‘বাচ্চাদের সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়াটাই ছিল ঈদের সবচেয়ে আনন্দদায়ক আর আন্তরিক সময়। আল্লাহ পৃথিবীর সব শিশুকে ভালো রাখুক। ’ এবারও শাহরুখ তার রীতি থেকে বের হচ্ছেন না। ভক্তদের জন্য উড়ন্ত চুম্বন তো দেবেনই, সঙ্গে থাকবে বাড়িতে বিশেষ আয়োজন। সবাইকে দাওয়াত করে খাওয়াবেন।

 

আমির খান

‘মিস্টার পারফেক্টশনিস্ট’ আমির খান বরাবরই অনাড়ম্বরভাবে ঈদ উদযাপন করেন। হাতেগোনা কজন বন্ধু কিংবা পরিচিতজন ছাড়া ঈদে কারও সামনে উপস্থিত হন না। সকালে মুম্বাই জামে মসজিদে নামাজ পড়ে সেই যে ঘরে ঢোকেন সারা দিন আর বের হন না। দেশে কিংবা বিদেশে যেখানেই হোক আমির খানের ঈদ মানে একান্ত পরিবার নিয়ে সময় কাটানো। প্রতিবছর স্ত্রী-সন্তান আর ভাগ্নে ইমরানকে নিয়েই তার ঈদ। প্রতি ঈদেই তাকে দেখা যায় সাদা পাজামা-পাঞ্জাবিতে। এবারও তিনি সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি কিনেছেন।

 

সালমান খান

পরিবারের বড় ছেলে হিসেবে বেশ দায়িত্ববান তিনি। ঈদের দিন সকালে সালমান খান ভাইদের নিয়ে বাড়ির সামনের মসজিদে নামাজ পড়েন। বাবা সেলিম খানের কড়া হুকুম, যত কাজই থাকুক, ঈদ মানেই পরিবারের সঙ্গে থাকা। আর তার তিন ছেলে সালমান, আরবাজ ও সোহেল বাবার সেই আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন। ভাতিজা-ভাতিজিদের নিয়ে তার পুরো দিনটাই কেটে যায় আনন্দে। ঈদের দিন তাদের বাড়িতে বিশেষ রেসিপি বিরিয়ানি রান্না করা হয়। ঈদের বিরিয়ানি না খেলে নাকি ‘ভাইজান’-র ঈদ অপূর্ণই রয়ে যায়।

 

সাইফ আলী খান

ছোটবেলায় সাইফ আলী খান ঈদ পালন করতেন ভূপালে নিজের দাদীবাড়িতে। রমজান মাসে ইফতারির সময় হলে কামান দাগা হতো। কামান থেকে বের হওয়া আগুনের গোলা আর তীব্র শব্দই বাড়িয়ে দিত ছোট্ট সাইফের আনন্দ। এখনো সাইফ ভূপালে নবাবী ধাঁচে ঈদ উদযাপন করেন। কোনো ছবির শুটিং মাঝখানে না থাকলে ঈদের দুই-তিন দিন আগেই পরিজন নিয়ে মধ্যপ্রদেশে পাড়ি দেন ‘ছোট নবাব’।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow