Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২০ জুলাই, ২০১৬ ২১:৫৪
ঢাকার ছবিতে কার কত আয়
ঢাকার ছবিতে কার কত আয়

মেয়েদের কাছে বয়স জানতে চাইলে যেমন তারা বিব্রত হন ঠিক তেমনি অভিনয়শিল্পীরা পারিশ্রমিকের কথা জানাতে সংকোচ বোধ করেন। এটি যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। তাদের কথায়, আয়ের বিষয়টি না জানানোর কারণ অনেক। তাই প্রযোজক-পরিচালক আর বেশ কয়েকটি সূত্রের সঙ্গে আলাপ করে চলচ্চিত্রের এই সময়ের নায়ক-নায়িকাদের আয়ের একটি চিত্র তুলে ধরেছেন— আলাউদ্দীন মাজিদ

 

শাকিব খান

শাকিব খান বড় পর্দায় আসেন ১৯৯৬ সালে। তবে সফল নায়কের খাতায় নাম লেখান ২০০৬ সালে ‘কোটি টাকার কাবিন’ ছবির মাধ্যমে। তখন থেকে তিনি ঢালিউডের শীর্ষ নায়কে পরিণত হন। শাকিব যখন অভিনয়ে আসেন তখন মাত্র ২ লাখ টাকা দিয়ে তার যাত্রা শুরু। এরপর তার চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে পারিশ্রমিকের অঙ্ক। ২০০৮ সালে এসে এ দেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকের তারকাখ্যাতি পান তিনি। তার পারিশ্রমিকের পরিমাণ হয় ছবি প্রতি ৪০ লাখ টাকা। যা তার আগে বা পরে কেউই পাননি। এখন অবশ্য চলচ্চিত্রের দুঃসময়ের কথা চিন্তা করে ১৫ থেকে ২৫ লাখ টাকায় কাজ করছেন তিনি।

 

অপু বিশ্বাস

২০০৫ সালে চলচ্চিত্রে এলেও নায়িকা হিসেবে অপুর যাত্রা ২০০৬ সালে ‘কোটি টাকার কাবিন’ ছবির মাধ্যমে। প্রথম ছবিতে ৩ লাখ টাকা পারিশ্রমিক পেলেও এক সময় এই অঙ্ক বেড়ে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত হয়। অপুর আগে শাবনূরই কেবল এই অঙ্কের পারিশ্রমিক নিতেন। বর্তমানে ৫ থেকে ৮ লাখ টাকায় কাজ করছেন তিনি। পারিশ্রমিক কমানোর কারণ একটাই, তা হলো চলচ্চিত্রের ব্যবসা এখন ভালো নয়।

 

ফেরদৌস

ফেরদৌস একসময় ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিতেন। দুই বাংলাতেই এই অঙ্কের পারিশ্রমিক ছিল তার। নায়ক হিসেবে ফেরদৌসই প্রথম দুই বাংলাতে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তায় কাজ করেন। সেই তুলনায় কখনো অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দাবি করেননি তিনি। এ কথা চলচ্চিত্রকারদের। বর্তমান সময়ে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকায় অভিনয় করছেন ফেরদৌস।

 

বাপ্পি

২০১২ সালে ঢালিউডে নায়ক হয়ে আসেন বাপ্পি। প্রথম ছবিতে ২ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নেন তিনি। এরপর তার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ছবি প্রতি ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা নিয়েছেন। আর এখন ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক হাঁকছেন এই নায়ক।

 

সাইমন

২০১০ সালে ‘জ্বী হুজুর’ ছবি দিয়ে সাইমনের বড় পর্দায় যাত্রা শুরু। তখন দেড় লাখ টাকা নিয়ে কাজ শুরু করেন তিনি। বর্তমানে ছবি প্রতি ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন।

 

আরিফিন শুভ

২০০৫ সালে ‘জাগো’ ছবিতে সহনায়ক হিসেবে যাত্রা শুরু শুভর। প্রথম ছবির পারিশ্রমিক উল্লেখ করার মতো না হলেও এরপর ২ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত নিতেন তিনি। বর্তমানে ছবি প্রতি ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক দাবি করছেন শুভ।

 

ইমন

ইমন প্রথম ছবিতে ২ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নেন। এখন ৩ থেকে ৪ লাখ টাকায় কাজ করছেন এই নায়ক।

 

ববি

২০১০ সালে ‘খোঁজ দ্য সার্চ’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আসেন ববি। প্রথম ছবিতে ২ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিলেও এখন তিনি ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত দর অব্যাহত রেখেছেন।

 

জয়া আহসান

বড় পর্দায় জয়ার পারিশ্রমিকের শুরুটা ছিল ৩ লাখ টাকা দিয়ে। বর্তমানে দুই বাংলার ছবিতে কাজ করছেন তিনি। দুই জায়গাতে ৫ থেকে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক হাঁকছেন এই নায়িকা।

 

মাহিয়া মাহি

২০১২ সালে দেড় লাখ টাকা পারিশ্রমিক দিয়ে বড় পর্দায় মাহির যাত্রা শুরু হয়। প্রথম ছবিতেই দর্শক গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে যাওয়ার পর এই অঙ্ক ৫ থেকে ৮ লাখ টাকায় ওঠানামা করছে।

 

বিদ্যা সিনহা মিম

হুমায়ূন আহমেদের ‘আমার আছে জল’ ছিল মিমের প্রথম ছবি। এই ছবিতে তিনি কত পারিশ্রমিক পেয়েছেন তা জানা না গেলেও এরপর ‘আমার প্রাণের প্রিয়া’ ছবি থেকে তার পারিশ্রমিক বাড়তে থাকে। ৪ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিচ্ছেন এখন তিনি।

 

পরীমণি

‘ভালোবাসা সীমাহীন’ পরীমণির প্রথম ছবি। এই ছবিতে দুই লাখ টাকা পারিশ্রমিক পান তিনি। এরপর ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত ছবি প্রতি পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে জানা গেছে। আর সাম্প্রতিক সময়ে যৌথ প্রযোজনার ‘রক্ত’ ছবির জন্য তিনি ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে একটি সূত্রের দাবি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow