Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:১২
স্বাধীনতা অর্জন করে নিতে হয়
স্বাধীনতা অর্জন করে নিতে হয়

১৮ জয়ধ্বনি স্লোগানটি বুকে ধারণ করে আজ থেকে নতুন করে পথ চলা শুরু চ্যানেলটি। টিভি চ্যানেলের সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে কথা হয় চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজের সঙ্গে

 

আজ ১৮ বছরে পা দিতে যাচ্ছে চ্যানেল আই।

প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির জায়গাটা বলুন?

প্রতি বছরই আমরা নতুনভাবে আমাদের পথ চলা শুরু করি। আমরা সব সময় চেষ্টা করেছি গণমানুষের কাছে আমাদের বার্তা পৌঁছে দিতে। তাদের সুখ-দুঃখে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। তার বিনিময়ে আমরাও দর্শকদের কাছ থেকে পেয়েছি অনেক ভালোবাসা। সব মিলিয়ে আমাদের প্রাপ্তির জায়গাটাও কম ছিল না।

 

নতুন কী সংযোজন হচ্ছে এবার চ্যানেল আইতে?

প্রতি বছরই চ্যানেল আইয়ের কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন উদ্যোগ। সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রেই বের করে আনা হচ্ছে গুণী মুখ। সত্যিকারেই এক কারিগরের ভূমিকায় থেকে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুনের জয়গান ধরে রাখছে চ্যানেল আই। সংবাদ পরিবেশনা ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত নতুনত্ব আনা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

একটি টেলিভিশন হতে পারে সমাজের অনেক ভালো ও শুভ ঘটনার নেপথ্য শক্তি। টেলিভিশন মানুষকে আরও সক্রিয় করতে পারে দেশের পথে। এই বিশ্বাস থেকে প্রতি বছরের মতো এই বছরটিতেও নিয়মিত কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করেছে নতুন নতুন কিছু কর্মসূচি ও অনুষ্ঠান। যেগুলো এক ধরনের সামাজিক আন্দোলন। চ্যানেল আই তার পথচলার সতের বছরে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে আগের চেয়ে আরও প্রসারিত করেছে কর্মপরিধি।

 

আমরা জানি ‘গণমাধ্যম একটি জাতির দর্পণ’। আর গণমাধ্যমগুলোকে যদি স্বাধীনতা না দেয় তারা সঠিকভারে বিকশিত হতে পাররে না।

দেশ স্বাধীনের পর থেকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কিন্তু কোনো সরকারই পুরোপুরি দেয়নি। এটি অর্জন করে নিতে হয়েছে। যেমনটা আমাদের স্বাধীনতার বেলায় হয়েছে। তেমনি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একটি অর্জিত স্বাধীনতা। এখন পৃথিবীটা গ্লোবাল ভিলেজ হয়ে গেছে। তথ্য প্রযুক্তির এই সময়ে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে কোনো কিছু হক না কেন, মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা পৃথিবীতে। ইচ্ছে করলেও এখন অনেক কিছু করা যায় না। একটা সময় ঢাকায় হরতাল হয়েছিল কি না তা আমাদের সন্ধ্যায় বিবিসি রেডিও চালিয়ে শুনতে হতো। কারণ তখন প্রচার মাধ্যম ছিল সীমিত। যখনই বেসরকারি টিভি চ্যানেল আসা শুরু করল তখন থেকে আস্তে আস্তে সব খবর জনগণের কাছে পৌঁছাতে শুরু করল। বর্তমানে আমরা অনেক স্বাধীনতা পাচ্ছি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow