Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৯ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:৫০
দুর্গারূপে অর্ষা
শোবিজ ডেস্ক
দুর্গারূপে অর্ষা

নির্যাতিত, নিপীড়িত ও অত্যাচারিত মানুষের ত্রাণদাতা হিসেবে আবির্ভূত হয় মা দুর্গা। আর এবার নাটকে মা দুর্গারূপে দেখা যাবে অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষাকে।

নাটকটি লিখেছেন শৌর্য দীপ্ত সূর্য। এতে আরও অভিনয় করেছেন সাব্বির আহমেদ, নরেশ ভূঁইয়া, বড়দা মিঠু, জেরি, তালিম, সুহৃদ জাহাঙ্গীর ও অনেকে। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ‘দশভুজা’ পরিচালনা করেছেন শৌর্য দীপ্ত সূর্য ও সোহেল রানা। সম্প্রতি এর চিত্রায়ণ হয়েছে।

গল্পে দুর্গার মা মৃত। বাবা হরিদাস পাল হিন্দু অধ্যুষিত গ্রাম বৈকুণ্ঠপুরে একমাত্র কুমার। আশপাশের কয়েক গ্রামেও আর কোনো কুমার নেই। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত তার বেশকিছু জমিতে একটি মন্দিরও আছে। সেখানেই তিনি প্রতিমা বানান। কালের বিবর্তনে এই ভূসম্পত্তির দাম বেড়েছে বহুগুণ। জমিটির ওপর কুনজর পড়ে গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি জর্নাদন সিকদারের। তার একটি মস্তান বাহিনীও আছে। তাদের কারণে গ্রামবাসী অতিষ্ঠ। কিছুদিন আগে তারা কালীদাস রায়কে ভিটামাটি ছাড়া করে। কিন্তু দুর্গাকে ভালোবাসার টানে আবার গ্রামে ফিরে আসে কালীদাস রায়ের পুত্র রজত রায়। আরও অনেক পরিবারকে নিঃস্ব করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয় জনার্দন। সে হরিদাস পালের জমিজমা দখলের পাঁয়তারায় একটি জাল দলিল তৈরি করে। হরিদাসকে আসন্ন পূজার আগেই জমিজমা ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। নয় তো দুর্গাকে তার সঙ্গে বিয়ে দিতে হবে। দুর্গাপূজার সাতদিন আগে সেই মন্দিরে গ্রামের সাধারণ লোকজন মহালয়া অনুষ্ঠানে এলে তাদের কাছে জনার্দনের অত্যাচরের বর্ণনা দেন হরিদাস পাল। সবার বোধোদয় হয়। ’ এমনি চলে নাটকের গল্প। নাটকটি ১১ অক্টোবর রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে এটিএন বাংলায় প্রচার হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow