Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১০ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:৪৫
আলাপন...
ঢাকের শব্দ কানে এলেই নাচতে ইচ্ছা করে
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী অপর্ণা এখন জীবনের সেরা কাজের খোঁজে আছেন। তার কথায়, একজন শিল্পীর বড় শক্তি হচ্ছে দর্শক। এই অভিনেত্রী এখন পূজার আনন্দে ভাসছেন। পূজার আনন্দ নিয়ে আজ তার সঙ্গে আলাপচারিতা—
আলাউদ্দীন মাজিদ
ঢাকের শব্দ কানে এলেই নাচতে ইচ্ছা করে

দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা রইল, আনন্দ কেমন উপভোগ করছেন?

ধন্যবাদ। সবাইকে পূজার শুভকামনা জানাচ্ছি। পূজাটা বেশ ভালো কাটছে। মণ্ডপে মণ্ডপে যাচ্ছি। পরিবার আর বন্ধুবান্ধব মিলে মজা করে সময় কাটাচ্ছি। সারা বছর এই আনন্দঘন দিনটির জন্য অপেক্ষায় থাকি। এ সময় কোনো কাজ হাতে রাখি না। এবার কলকাতা থেকে কাজিনরা এসেছে। তাদের নিয়ে সন্ধ্যায় মণ্ডপে যাই। আরতি এনজয় করাটা আমার কাছে অনেক দামি। সব মিলিয়ে পূজার আনন্দটা মনের মতো করে এনজয় করছি।

 

পূজা কোথায় করছেন?

চট্টগ্রামেই পূজা উদযাপন করি। আমার গ্রামের বাড়ি এখানে। মা, বাবা, ভাই-বোন আত্মীয়স্বজন সবাই এখানেই থাকেন। তাই সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে পূজায় চট্টগ্রাম চলে আসি। দুর্গা আর লক্ষ্মী পূজা শেষ করেই ঢাকা ফিরি। এবারও তাই করব।

 

চট্টগ্রামে প্রচুর পূজামণ্ডপ বসে, আনন্দটাও বেশি হয়, এ পর্যন্ত কয়টি মণ্ডপে যাওয়া হলো?

আসলে সব মণ্ডপে এখন আর যাওয়া সম্ভব হয় না। যানজট আর ভিড়বাট্টা বেড়েছে। সবাই চেনে। এই চেনার বিড়ম্বনায়ও পড়তে হয়। কেউ দেখতে আর অনেকে ছবি তুলতে ভিড় করে। ছোটবেলায় কম করে হলেও ২৫-৩০টি মণ্ডপে যাওয়া হতো। এখন বাসার আশপাশের দুই-তিনটিতে যাই।

 

এখনকার আর ছোটবেলার আনন্দের মধ্যে কোনো পার্থক্য মনে হয়?

অনেক পার্থক্য। ছোটবেলায় মন চাইলেই যে কোনো মণ্ডপে চলে যেতাম। ঢাকের তালে নাচানাচি করতাম। পরিবার বা কারও কাছ থেকে কোনো বাধানিষেধ ছিল না। এখন বড় হয়েছি, তাই চাইলেই সবকিছু করতে পারি না। ছোটবেলার পূজার আনন্দকে এখন খুব মিস করি।  ছোটবেলায় পূজার জামাকাপড় আর নতুন জুতা লুকিয়ে রাখতাম। কেউ আগেভাগে দেখে ফেলে যদি তারাও আমার মতো কিনে ফেলে। কত যে আনন্দ ছিল বলে বোঝাতে পারব না। এখন খুব আফসোস হয়, কেন যে বড় হতে গেলাম।

 

পূজার কোন দিকটা বেশি আনন্দ দেয়?

আমি খুব সংগীতপ্রিয়। তাই পূজার সময় ঢাকের বাদ্য খুব ভালো লাগে। ঢাকের শব্দ কানে এলেই নাচতে মন চায়। বড় হয়ে গেছি বলে তা আর পারি না। দশমীর দিন রং খেলা হয়। এটিও খুব এনজয় করি। সবকিছুই আসলে ছোটবেলার আনন্দের। বড়বেলা মন চাইলেও সব আনন্দ উপভোগ করা যায় না। তাই মন খারাপ থাকে। আবার ছোট হয়ে যেতে ইচ্ছা করে।

 

মায়ের কাছে এবারের চাওয়াটা কী?

এটা তো বলা যাবে না। খুবই সিক্রেট। তবে মায়ের কাছে আমার সবসময়ের চাওয়া হচ্ছে আমার জীবনে যা কিছু হচ্ছে আর হবে সবই যেন ভালো হয়। ভালোর মাঝে বাঁচতে চাই।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow