Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২২:০১
‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবির তিন শিল্পীর প্রতিক্রিয়া
এ সম্মান গৌরবের
এ সম্মান গৌরবের

১৯৭০ সালে মুক্তি পায় জহির রায়হান নির্মিত ‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রটি। ভাষা আন্দোলনের জন্য বাঙালি জাতির সংগ্রামের গল্পই ছিল ছবির মূল উপজীব্য।

এরপর মুক্তিযুদ্ধের আহ্বান ছবির গল্পকে আরও শাণিত করে। ছবিটি মুক্তির ৪৬ বছর পর আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি এ ছবি ও এর তিন শিল্পী আমজাদ হোসেন, সুচন্দা ও রাজ্জাককে  সম্মাননা জানাবে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি। এ নিয়ে তিনজনের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছেন— আলাউদ্দীন মাজিদ

 

আমজাদ হোসেন

‘জীবন থেকে নেয়া’ শুধু ছবি নয়। এটি ছিল একটি বিপ্লব। একটি জাতির নির্দিষ্ট ভাষা, ভূখণ্ড আর স্বাধিকার ফিরে পাওয়ার গল্প ছবিটিতে রূপকভাবে তুলে ধরা হয়। এই ছবি তখন একদিকে যেমন বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেছিল ঠিক তেমনি পাক শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। ছবির সংলাপ লিখেছিলাম আমি। দেরিতে হলেও পরিচালক সমিতি ছবিটিকে সম্মানিত করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তাকে আমি সাধুবাদ জানাই।

সুচন্দা

‘জীবন থেকে নেয়া’ আসলে শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়।

এটি জহির রায়হানের দূরদর্শী চিন্তা-চেতনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই ছবিটি যদি জহির নির্মাণ না করতেন তা হলে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অসম্পূর্ণ রয়ে যেত। কারণ এটি এই দুই আন্দোলন সংগ্রামের জীবন্ত দলিল। ছবিটি জাতিকে স্বাধিকার রক্ষায় উজ্জীবিত করেছিল। দেরিতে হলেও এই ছবিকে সম্মান দেখানোর উদ্যোগ নেওয়ায় পরিচালক সমিতিকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

রাজ্জাক

‘জীবন থেকে নেয়া’ শুধু একটি ছবি নয়। এটি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় দলিল। জহির রায়হানের অমর সৃষ্টি। ছবিটি বাঙালি জাতিকে দেশাত্মবোধ আন্দোলন সংগ্রামে পথ প্রদর্শন করেছিল। এটি নিঃসন্দেহে স্বাধিকার আন্দোলনের অমূল্য দলিল। দেরিতে হলেও গুণীজন ও এমন একটি ছবির প্রতি পরিচালক সমিতি যে সম্মান দেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে তাতে আমি আনন্দিত। এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের কাছে ছবিটির মূল্য ও আগ্রহ আরও বাড়বে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow