Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২২:০২
সংবাদ সম্মেলনে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন শাওন
ডুব বিতর্ক
শোবিজ প্রতিবেদক
সংবাদ সম্মেলনে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন শাওন
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন শাওন

যৌথ প্রযোজনার ব্যয়বহুল চলচ্চিত্র ‘ডুব’। নির্মাণ শেষে মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ছবির পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

কিন্তু বৃহস্পতিবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে থমকে গেছে চলচ্চিত্রটির যাত্রা। এর আগে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন হুমায়ূন আহমেদের জীবনের কিছু ঘটনাকে ভুলভাবে উপস্থাপনের আশঙ্কা জানিয়ে সেন্সর বোর্ডকে চিঠি দিয়েছিলেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের এই স্থগিতাদেশ মানে পরবর্তী আদেশ পাওয়ার আগে এখন আর ছবিটি সেন্সর বোর্ডেও জমা দেওয়া যাবে না।

ইতিমধ্যে ‘ডুব’ ছবি নিয়ে নানা রকম গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এদিকে এসব বিষয়কে মাথায় রেখে গতকাল ধানমন্ডির নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেহের আফরোজ শাওন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বছরের শেষ দিকে ভারতের একটি প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম ‘আনন্দ বাজার’-এর কাছ থেকে প্রথম ‘ডুব’ ছবিটির পটভূমি সম্পর্কে জানতে পারি। আমাকে জানানো হয়, ছবিটি হুমায়ূন আহমেদের জীবনকে ঘিরে এবং হুমায়ূন পরিবারের কিছু সদস্যের চরিত্রও ছবিটিতে উঠে এসেছে যার মধ্যে আমিও আছি। খবরটি আমাকে বিস্মিত করে। তার পরপরই বাংলাদেশ এবং ভারতের প্রধান প্রধান সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট থেকে জানতে পারি যে আলোচ্য ছবিটি কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জীবনের কিছু স্পর্শকাতর ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় শিল্পী ইরফান খান শুটিংয়ের আগে হুমায়ূন আহমেদের প্রচুর ভিডিও দেখেছিলেন এবং সেগুলো দেখেই হুমায়ূন আহমেদের কথাবার্তা বলার ধরন এসব নিয়ে হোমওয়ার্ক করেছিলেন। ছবির আরেক অভিনয়শিল্পী পার্নো মিত্র তার ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন যে, তার অভিনীত চরিত্রের নাম ‘মেহের আফরোজ শাওন (যদিও  পরে তা সম্পাদনা করে বাদ দেওয়া হয়)।

ফেব্রুয়ারি ১৩ তারিখে আমি একটি চিঠি সেন্সরবোর্ডে দেই। চিঠিতে অনুরোধ করা হয়, আমি যেই আশঙ্কাগুলো করছি, ছবিটি দেখার সময় সেই বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করে যেন তারা সিদ্ধান্তে উপনীত হন। এ ছবিতে যদি কোনো আপত্তিকর বিষয় থাকে, সেগুলো যেন যথাযথভাবে পরিবর্তন এবং পরিশোধন করে মুক্তি দেওয়া হয়। আমি নিজেও একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা। কোনো নির্মাতা বা তার নির্মাণের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই। আমি কোনো চলচ্চিত্র নিষিদ্ধের কথাও বলিনি। কিন্তু হুমায়ূনের স্ত্রী হিসেবে এবং তার একজন ভক্ত পাঠক হিসেবে হুমায়ূন আহমেদকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা কোনো চলচ্চিত্রের পক্ষে আমার অবস্থান থাকবে না এটাই স্বাভাবিক।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow