Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:৫৪
ঘড়ি ধরে ৫ মিনিট
দর্শকের গ্রহণযোগ্যতাই ভালো নাটকের মূল বিষয়
মাসুদ সেজান
শোবিজ প্রতিবেদক
দর্শকের গ্রহণযোগ্যতাই ভালো নাটকের মূল বিষয়

আজ রাত ৯টা ৫ মিনিটে বাংলাভিশনে প্রচারিত হবে এক ঘণ্টার ধারাবাহিক নাটক ‘চলিতেছে সার্কাস’-এর ২০০তম পর্ব। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন মাসুদ সেজান।

আজ থাকছে তার ইন্টারভিউ—

 

চলিতেছে সার্কাস ২০০ পার হচ্ছে। কত পর্ব পর্যন্ত যাবে?

খুব বেশি না। ২০৮ পর্ব।

 

অধিকাংশ ধারাবাহিকই আধা ঘণ্টার স্লটে প্রচার হয়। সেক্ষেত্রে এক ঘণ্টার স্লট কেন?

এর আগে একই চ্যানেলে আমার ‘লং মার্চ’ নাটকটিও এক ঘণ্টার স্লটে প্রচার হয়েছিল। এর পেছনের কারণটি হচ্ছে বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনের কারণে আমাদের দর্শকরা নাটকবিমুখ হচ্ছে। আধা ঘণ্টার স্লটে তিন বার বিজ্ঞাপন বিরতি হয় আবার এক ঘণ্টার স্লটেও তাই। সেক্ষেত্রে এক ঘণ্টার স্লটে আমরা প্রথমেই টানা ২০ মিনিট নাটক চালিয়ে দর্শককে গল্পের ভিতর টেনে নিতে পারি।

 

পরবর্তী কাজ কী করছেন?

একটা ধারাবাহিকের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। নাম ঠিক না হলেও এর কাস্টিং ও চ্যানেলের সঙ্গে কথাবার্তা প্রায় চূড়ান্ত। এর বাইরে ঈদের কাজের প্রস্তুতি চলছে। ৬ পর্বের ধারাবাহিক, টেলিফিল্ম, সিঙ্গেলসহ একাধিক কাজ থাকছে ঈদে।

 

বিজ্ঞাপনের যন্ত্রণা ছাড়া টিভি নাটকের অবস্থা বলুন।

শুধু বিজ্ঞাপনের যন্ত্রণা নয়। আমাদের টিভি নাটকের মান সব মিলিয়েই অনেক কমে গেছে। প্রতিদিন বিভিন্ন চ্যানেলে শত শত নাটক প্রচার হচ্ছে। কিন্তু এর মান নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না।

এর পেছনে অনেকে বাজেটকেও দায়ী করেন।

আসলে কেবল বাজেট নয়। চ্যানেলের নিজস্ব ক্যাপাসিটি কমছে। চ্যানেলগুলো এজেন্সিনির্ভর হয়ে পড়েছে। এজেন্সি থেকে নাটক আর বিজ্ঞাপন একসঙ্গে দেওয়া হচ্ছে। চ্যানেলের মান নিয়ন্ত্রণ তো দূরে থাকুক কিছুই করার থাকে না। অন্যদিকে এজেন্সিগুলো অল্প পয়সায় নিজেদের মতো বানিয়ে নিচ্ছে। ফলে ভালো নাটক কম হচ্ছে।

 

আপনার কাছে ভালো নাটকের সংজ্ঞা কী?

একটা ভালো গল্প, ভালো মেকিং, ভালো কাস্টিংয়ের সঙ্গে প্রপার বাজেট। সেই সঙ্গে দর্শকের গ্রহণযোগ্যতাই একটা ভালো নাটকের মূল বিষয়।

 

অভিনয় শিল্পীদের আন্দোলনে...

ঠিক ফোকাস নয়। যে বিষয় নিয়ে আন্দোলন হওয়া উচিত, সেখান থেকে সরে গেছে। নাটকের মানোন্নয়ন, বাজেট বৃদ্ধি এসব ছাপিয়ে আন্দোলন হয়ে গেছে নানামুখী। সবার আগে এজেন্ডা ঠিক করে এরপর সেটি বাস্তবায়নের পথ খুঁজতে হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow