Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৪ এপ্রিল, ২০১৭ ২২:০৩
ঘড়ি ধরে ৫ মিনিট
সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি হলো মানুষের ভালোবাসা
দিলারা জামান
পান্থ আফজাল
সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি হলো মানুষের ভালোবাসা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও একুশে পদকজয়ী খ্যাতিমান গুণী অভিনয়শিল্পী দিলারা জামান। অভিনয় করেছেন প্রায় তিন শতাধিক বাংলা নাটকে। ’৬০-এর দশকের শুরুতে বাংলা নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে দিলারা জামানের অভিষেক...

 

এখনো সাবলীলভাবে নাটক করে যাচ্ছেন...

অভিনয় জগৎ আমার দ্বিতীয় সংসার। এখন অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে নাটক করার জন্য কোনো পরিচালক বা নির্মাতা অফার করলে ‘না’ শব্দ বলতে পারি না।

 

ব্যস্ততা এখন কেমন?

বড় মেয়ে কানাডা থেকে এসেছে। তাই সবার কাছ থেকে ৩ সপ্তাহ সময় চেয়ে নিয়েছি। এরপর আবার সিরিয়াল এবং ১ ঘণ্টার নাটকে নিয়মিত হব। আসলে শুটিং ইউনিটে গেলে আমার সময়টা খুবই ভালো যায়, সবাইকে আপন মনে হয়।

 

সাম্প্রতিক সময়ে কি কি কাজ করছেন...

কাজ করলাম রোকেয়া প্রাচী এবং মাতিয়া বানু শুকুর যৌথ নির্দেশনায় চ্যানেল আই এর একটি সিরিয়ালে। এটি লিখেছেনও মাতিয়া বানু শুকু। এ ছাড়াও করেছি গোলাম সোহরাব দোদুলের ‘সংসার’ নামে একটি সিরিয়ালে। 

 

কোন চরিত্রে অভিনয় করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?

আমাকে ‘মা’ বেশি মানায়। মা চরিত্রের অনেক অভিনয় করেছি। প্রখ্যাত নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদের আলোচিত নাটক ‘এইসব দিন রাত্রী’তে আমি বুলবুল আহমেদের মায়ের চরিত্রে এবং ‘অয়োময়’ ধারাবাহিকে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি।

 

সেকাল আর একালের নাটকের মধ্যে পার্থক্য?

সেকালের বাংলা নাটক মানে একটি টিম ওয়ার্কের সম্মিলিত কাজ। তখন কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি এত অগ্রসর ছিল না। একালে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যাপক অগ্রসর হওয়ার কারণে বেশি বেশি নাটক তৈরি হচ্ছে এবং নতুনদের কাজ করার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

 

অভিনীত প্রিয় নাটক কোনটি?

অসংখ্য নাটক বলে শেষ করা যাবে না। তবে হুমায়ূন আহমেদের ধারাবাহিক নাটক ‘এইসব দিন রাত্রী’তে শফিকের মার চরিত্র কিংবা ধারাবাহিক ‘অয়োময়’ নাটকে মির্জার মা চরিত্র আমাকে ব্যাপক পরিচিত করে তুলেছিল।

 

চলচ্চিত্রে খুব কম দেখা যায়...

বড় পর্দায় অভিনয়ের ব্যাপারে আমি খুব একটা আগ্রহী নই। এরমধ্যে তৌকীর আহমেদের ‘হালদা’ এবং ববির সঙ্গে করছি ইফতেখার আহমেদের ‘বিজলী’ চলচ্চিত্রে। এর আগে তো করেছিলাম হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’, মুরাদ পারভেজের ‘চন্দ্রগ্রহণ’, ‘ব্যাচেলর’, ‘প্রিয়তমেষু’, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’, ‘মনপুরা’ চলচ্চিত্রে।

 

মঞ্চে কি আবার দেখা যাবে ...

আপাতত মঞ্চে কাজ করছি না। দেখতে দেখতে বয়স আগামী জুনে ৭৫-এ পা দেবে। আগে মঞ্চ, টেলিভিশন, রেডিওতে একযোগে কাজ করেছি, এখন আর পারি না। আমার সময়ে থাকা প্রায় সবাই চলে গেছেন, আমি এখনো আছি। আমার নাটকের গুরু ছিলেন নূরুল মোমেন স্যার।

 

সম্মাননা এবং প্রাপ্তি ...

আমার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি হলো মানুষের ভালোবাসা। মানুষের মনে স্থান করে নিতে পেরেছি, সেজন্য আমি  সৌভাগ্যবান। আর সম্মাননা জীবনে অনেক পেয়েছি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow