Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৬ নভেম্বর, ২০১৮ ২৩:১৮
গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও দিঠি আনোয়ার
গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও দিঠি আনোয়ার
গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও দিঠি আনোয়ার
গাজী মাজহারুল আনোয়ার, যিনি প্রায় ২০ হাজার গানের স্রষ্টা ও সর্বকালের সেরা গীতিকারদের একজন। স্বনামধন্য কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার ও চিত্রপরিচালকও তিনি। বাবার গান কণ্ঠে ধারণ করে ও নিজের মৌলিক গান দিয়ে জনপ্রিয় হয়েছেন কন্যা দিঠি আনোয়ার। সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রতিদিনের শোবিজ স্পেশাল আড্ডায় এসেছিলেন এই দুই গুণী মানুষ। কথা বলেছেন জীবনের গল্প নিয়ে। তাদের কথা তুলে ধরেছেন— আলাউদ্দীন মাজিদআলী আফতাব। ছবি : রাফিয়া আহমেদ
 
♦       গানে আর প্রাণ নেই, যন্ত্রের যন্ত্রণায় গান এখন ঐতিহ্য হারিয়েছে : গাজী মাজহারুল আনোয়ার
         একটি বিষয় সব সময় নিজের মধ্যে আত্মস্থ করে রেখেছি আর তা হলো আমি কার কন্যা : দিঠি আনোয়ার
         দেখলাম ‘মরা মানুষ কাটতে হবে’। এটা সহ্য করা আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়ল : গাজী মাজহারুল আনোয়ার
         বাবা প্রায় ২০ হাজার গান লিখেছেন। যার মধ্যে ৯৯ ভাগই জনপ্রিয় : দিঠি আনোয়ার

 

সবই হতো শৃঙ্খলার মধ্যে : গাজী মাজহারুল আনোয়ার

আমাদের সময় স্কুল ফাঁকি দিয়ে সিনেমা দেখা, গান শোনা এসব কিছু যে একেবারে বিনা বাধায় হতো তা কিন্তু নয়। বাসায় বাবা-মা, স্কুলে শিক্ষক সবার বাধা আর শাসনের মধ্য দিয়েই চলত। তারপরও সবকিছুই হতো শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে। এখন সব জায়গায়ই উগ্রতা যেন জেঁকে বসেছে। গানে আর প্রাণ নেই, যন্ত্রের যন্ত্রণায় গান এখন ঐতিহ্য হারিয়েছে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, যে গান মানুষের ঘরে পৌঁছে না তাকে কখনো গান বলা যায় না।

 

কখনো বাধা পাইনি : দিঠি আনোয়ার

সংগীতচর্চা বা কোনো ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের বাধা পাইনি। তারা আমাকে তাদের আদর্শের ছায়ায় গড়ে তুলেছেন। আমি একটি বিষয় সব সময় নিজের মধ্যে আত্মস্থ করে রেখেছি আর তা হলো আমি কার কন্যা। একদিকে প্রখ্যাত একজন চলচ্চিত্রকার আর সংগীতকার আমার বাবা, অন্যদিকে স্বনামধন্য এক অ্যাথলেট আমার মা। ছোটবেলা নিজের কাছে এই প্রশ্ন রেখে এগিয়েছি যে, আমি কার কন্যা। ব্যাস, উত্তরটা আপনা আপনিই আমার মধ্যে এসে গেছে। পড়াশোনার পাশাপাশি গানের চর্চা সমানতালে এগিয়ে নিয়েছি। একটা মজার কথা বলি, বিয়ের আগে আমার মায়ের ধারণা ছিল বাবা বুঝি একজন বয়স্ক মানুষ। কারণ বাবার তখন খুব নাম ডাক। তার গান মানেই ক্রেজ। বিয়ের পর মা যখন দেখলেন তার ধারণার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই, মানে বাবা বয়স্ক লোক নন। তখন মায়ের কাছে বাবাকে আসমানের চাঁদ হাতে পাওয়ার মতোই মনে হয়েছিল। আমরা খুব হ্যাপি ফ্যামিলি। আমাদের সময় বাবা-মা, সিনিয়র আর কাজের প্রতি যে শ্রদ্ধা আর কন্ট্রিবিউশন ছিল তা এখন তেমনটা দেখি না।

 

বাবার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হব : গাজী মাজহারুল আনোয়ার

 বাবার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হব। সে হিসেবেই যখন এমবিবিএস সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি তখন দেখলাম ‘মরা মানুষ কাটতে হবে’। এটা সহ্য করা আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়ল। আমি পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়লাম। ছোটবেলা থেকেই শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি আমার মনের টান ছিল। পড়াশোনায় আমার অমনোযোগী ভাব দেখে আমার এক সহপাঠী বলল তুমি ডাক্তারি পড়া বাদ দিয়ে শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা কর। মেডিকেল কলেজে নাটক হতো। নাটকের জন্য গান লিখতাম। একটি গান লিখলাম ‘বুঝেছি মনের বনে রং লেগেছে’। ফরিদা ইয়াসমিনের গানটি পছন্দ হলো। তিনি রেডিওতে গানটি গাইলেন। তুমুল জনপ্রিয় হলো। কিন্তু গীতিকার হিসেবে আমার নাম প্রচার হলো না। মনে খুব কষ্ট পেলাম। ডাক্তারি পড়া আর হলো না। মগবাজারের একটি ঝুপড়ি ঘরে থাকি। গান লিখি। বাবা জানলেন না তার ছেলে ডাক্তারি পড়া বাদ দিয়ে গান লিখছে।

 

হিজ মাস্টার ভয়েজে গিয়ে ব্যর্থ হলাম : গাজী মাজহারুল আনোয়ার

তখন হিজ মাস্টার ভয়েজ মানে এইচএমভি থেকে গানের রেকর্ড বের করা হতো। এক দিন এইচএমভিতে গিয়ে বললাম একটি গান দিতে চাই। প্রতিষ্ঠানটির মালিক আমার প্রতি তেমন কোনো আগ্রহ দেখালেন না। বললেন অমুক তারিখে আসেন। ওই তারিখে গেলে আবার বলতেন তমুক তারিখে আসেন। এভাবে তিনি যে আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছিলেন তা বেশ বুঝতে পারছিলাম এবং তাতে কষ্ট পাচ্ছিলাম।

 

সুভাষ দত্ত আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন : গাজী মাজহারুল আনোয়ার

এক দিন সংগীত পরিচালক নাজমুল হুদা আমাকে নিয়ে আরেক সংগীত পরিচালক সত্য সাহার কাছে গেলেন। সত্য দা আমাকে নিয়ে প্রখ্যাত চিত্রনির্মাতা ও অভিনেতা সুভাষ দত্তের কাছে গেলেন। সুভাষ দত্ত তখন ‘সুতরাং’ ছবি বানিয়ে ফ্রাঙ্কফুট থেকে অ্যাওয়ার্ড পেয়ে খুবই বিখ্যাত হয়ে গেলেন। সুভাষ দত্ত আমাকে দেখে সত্য দাকে বললেন, এই ছেলেটাকে কোথা থেকে ধরে এনেছ। সত্য দা বললেন, দাদা ও গান লিখে, ওকে নিয়ে ট্রাই করে দেখুন না। তিনি বললেন, দূর, আমি সুভাষ দত্ত। আমার ছবির গান ও কীভাবে লিখবে? সত্য দা একটু বিব্রত হয়ে বললেন, দাদা এসেছে যখন একটু চেষ্টা করে দেখুন না। কিছু একটা হতেও পারে। আপনি ছবির গানের একটি সিচুয়েশন দেন। সুভাষ দত্ত অনেকটা বিরক্ত হয়ে বললেন, ঠিক আছে শিক্ষক ছাত্রীকে পড়াচ্ছেন এই সিচুয়েশনের ওপর একটি গান লিখতে। এতটুকু বিষয় নিয়ে কি গান লিখব ভেবে পাচ্ছিলাম না। তারপরও ৫ থেকে ৬ মিনিটের মধ্যে গানটি তৈরি করে ফেললাম। গানের কথা ছিল, ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল, বাতাসের আছে কিছু গন্ধ’। সত্য সাহা সুর করে সুভাষ দত্তকে গানটি শোনালেন। তিনি গানটি শুনে উচ্ছ্বসিত হয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। বললেন, তোমার চেহারা আর গোঁফ দেখে মনেই হয়নি তোমার মধ্যে ম্যাচুয়িরিটি এসেছে।

 

আবারও হতাশার অন্ধকার : গাজী মাজহারুল আনোয়ার

‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল’ গানটির রেকর্ডিং হলো এফডিসিতে। এই গানটি সুভাষ দত্তের ‘আয়না ও অবশিষ্ট’ ছবির। বিকাল থেকে রেকর্ডিং শুরু হলো। শেষ হয় রাত তিনটায়। বাইরে তখন মুষলধারায় বৃষ্টি পড়ছে। সবাই যার যার গাড়িতে করে চলে যাচ্ছে। আমার যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। পকেট ফাঁকা। কানাকড়িও নেই। দেখলাম ছবির প্রোডাকশন ম্যানেজার সবাইকে সম্মানী দিচ্ছেন। আমাকে কিছু দিলেন না। তার কাছে গিয়ে বললাম, ভাই আমি কিছু পাব না। তিনি রাগান্বিত চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, বাহ! গান লেখার সুযোগ পেয়েছ এটিই তো অনেক। আবার টাকা কিসের? যাও এখান থেকে এক্ষুনি চলে যাও। আমার চোখে মুখে তখন হতাশার অন্ধকার। চোখের কোণ বেয়ে ঝরে পড়া অশ্রু বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল। অঝোর ধারার বৃষ্টির মধ্যে ভিজতে ভিজতে এগিয়ে যাচ্ছি। এফডিসির গেটের কাছে যেতেই দারোয়ান বলল, কি ব্যাপার এভাবে ভিজছ কেন? জ্বর উঠবে তো। আমি চোখ মুছতে মুছতে বললাম, ‘আমার জ্বর উঠুক, অসুখ হোক, আমি মরে যেতে চাই’। দারোয়ান আমাকে গেটের পাশে তার রুমে জোর করে নিয়ে বসাল। তারপর বলল, এখানে কাজ পেতে হলে লাইন লাগে। মানে জানা শোনা বড় মাপের কারও রেফারেন্স দরকার। এমনি এমনি কিছু হবে না। যাও, ফিরে যাও। আর যদি এখানে আসতেই হয় তাহলে এমনভাবে আসবে যাতে রোদে পুড়তে আর বৃষ্টিতে ভিজতে না হয়। রীতিমতো গাড়িতে চড়ে আসবে। তার কথায় আমার মনে জিদ চেপে গেল। বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে সেদিন বৃষ্টিভেজা কপর্দকশূন্য এই আমি প্রতিজ্ঞার পথ ধরে আবার হাঁটতে শুরু করলাম। মগবাজারের ঝুপড়ি ঘর ছিল আমার দুঃখ-কষ্টের নিত্যসঙ্গী।

 

বন্ধু বলল, তুই এই ঝুপড়িতে থাকিস?

আমি তখন মালিবাগের একটি টিনশেডের ঝুপড়ি ঘরে থাকি। আমার এক বন্ধু মাখন লন্ডন থাকত। সে এয়ারপোর্টে এসে আমাকে গাড়ি নিয়ে যেতে বলল। তার ধারণা আমি যখন গান লিখে জনপ্রিয়তা পেয়েছি নিশ্চয়ই আমার বেশ বিত্ত-বৈভব আছে। আমি গাড়ি পাব কোথায়? একটি বেবিট্যাক্সি নিয়ে গেলাম। সে অবাক হলো। তার চেয়ে বেশি অবাক হলো আমার ঝুপড়ি ঘরে এসে। আমাকে বলল, এ কি তোর অবস্থা! ও জানত না গান লিখে ৫০ টাকা পেলে সবাইকে কমিশন দিতে দিতে আমার হাতে দশটি টাকাও আর অবশিষ্ট থাকত না। বন্ধুটি বলল, তুমি সিনেমা বানাও। আমি বললাম সিনেমা নির্মাণের মতো অত টাকা কোথায় পাব? সে জানতে চাইল একটি ছবি বানাতে কত টাকা দরকার হয়। আমি বললাম, তা তো এক লাখ টাকা লাগবেই। বন্ধু সেই পরিমাণ টাকা দিতে চাইলে নিতে অস্বীকার করলাম। সে যেদিন লন্ডন ফিরে যাচ্ছে এয়ারপোর্টে গিয়ে বলল, ও হ্যাঁ, আমি তোর বালিশের নিচে ভুল করে একটি প্যাকেট ফেলে এসেছি। ওটা তোর কাছে রাখিস। বাসায় এসে দেখলাম এক লাখ টাকার একটি বান্ডিল। বুঝলাম আমি তো বন্ধুর কাছ থেকে টাকা নেব না, তাই সে এই চালাকিটা করেছে। ভাবলাম সে যখন চায় আমি ছবি নির্মাণ করি, তাহলে শুরুই করি।

 

১ লাখ টাকার সমাধির ব্যবসা ১৯ লাখ টাকা

দিলীপ বিশ্বাসকে পরিচালক আর রাজ্জাক, সুচরিতা আর উজ্জলকে নিয়ে নির্মাণ করলাম ‘সমাধি’। ১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ছবিটি ১৯ লাখ টাকা আয় করল। এই টাকার অর্ধেক মানে সাড়ে ৯ লাখ টাকা দিলাম আমার সেই বন্ধু মাখনকে। এরপর ২০ বছর ধরে যত ছবি নির্মাণ করেছি সব ছবির মুনাফার অর্ধেক দিয়ে এসেছি প্রাণপ্রিয় বন্ধুকে। তার জন্যই তো আজ আমি চলচ্চিত্রকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। সমাধির মুনাফার টাকা দিয়ে গাড়ি আর ফ্ল্যাট কিনলাম। সেই গাড়িতে চড়িয়ে বন্ধু মাখনকে এয়ারপোর্ট থেকে বাসায় নিয়ে এলাম।

 

বাবার মতো স্ট্রাগল করতে হয়নি আমার : দিঠি আনোয়ার

আমি এদেশের একজন লিজেন্ড গাজী মাজহারুল আনোয়ারের মেয়ে। বাবার মতো একজন বিখ্যাত মানুষের মেয়ে হওয়ায় আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে তেমন কোনো স্ট্রাগল করতে হয়নি। ব্যস্ততার মাঝেও পড়ালেখায়ও বাবা সহযোগিতা করতেন। ঢাকার বাইরে থাকলেও তিনি নোট লিখে কুরিয়ারে পাঠাতেন। বাবার কারণে বাংলায় সব সময় হাইয়েস্ট নাম্বার পেতাম।

 

আমার স্ত্রীর ভূমিকা অন্যতম : গাজী মাজহারুল আনোয়ার

আমার স্ত্রী যাকে সবাই জোহরা গাজী নামে চেনেন। আমার আজকের এই অবস্থান আর প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অন্যতম। সে ইস্ট পাকিস্তান সময়কার একজন খ্যাতিমান অ্যাথলেট। তা ছাড়া বিটিভির জনপ্রিয় তারকা আড্ডা অনুষ্ঠান ‘বৈঠক’-এর আয়োজকও ছিল সে। এক সময় দেখলাম সে এসব কাজ ছেড়ে দিয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, তুমি সব ছেড়ে দিলে কেন? সে বলল, আমরা দুজনই যদি এসব নিয়ে ব্যস্ত হয়ে থাকি তাহলে সংসার দেখবে কে? সংসারের জন্য তার এই ত্যাগ সত্যিই অভাবনীয়। আজও আমি মিডিয়া আর ও সংসার সামলাতে ব্যস্ত।

 

বিবিসির জরিপে সেরা ১০ গানের প্রথম চারটিই বাবার লেখা : দিঠি

বাবা প্রায় ২০ হাজার গান লিখেছেন। যার মধ্যে ৯৯ ভাগই জনপ্রিয়। বিবিসির জরিপে বিশ্বের সেরা ১০ গানের তালিকায় প্রথম চারটিই বাবার  লেখা। সম্প্রতি জাপান-বাংলাদেশ জরিপে সেরা ২০ গানের মধ্যে প্রথম ৮টিও বাবার রচিত। এ ছাড়া বাবা তো একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ একাধিক জাতীয়-আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তবে বাবার কথায় তার জীবনের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার হলো মানুষের ভালোবাসা।

 

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাংলাদেশ : গাজী মাজহারুল আনোয়ার

আমার চোখে হাজার বছরের এই দেশ বাংলাদেশ। দেশটি এত লোভনীয় যে, ব্রিটিশ, পাকিস্তানসহ অনেকে বার বার দেশটি দখল করেছে। যার নজির পৃথিবীতে অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে নেই। ‘ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা’ রবীন্দ্রনাথের এই গানটি হৃদয়ে ধারণ করলে জাতি হিসেবে আমরা সমৃদ্ধ হব।

 

মৃত্যুর সময় একটি কলম সঙ্গে নিয়ে যেতে চাই : গাজী মাজহারুল আনোয়ার

জীবনে কতটা কাজ করতে পেরেছি কেমন করতে পেরেছি জানি না। তবে মানুষের যে অবারিত ভালোবাসা পেয়েছি তাতেই আমার জীবন পূর্ণতায় ভরে গেছে। আর কোনো অপ্রাপ্তি বা চাওয়ার কিছু নেই আমার। আমার এখন একমাত্র ইচ্ছা ‘মৃত্যুর পর একটি কলম যেন সঙ্গে নিয়ে যেতে পারি।’

 

সেরা যত গান

►          জয় বাংলা বাংলার জয়

►           একতারা তুই দেশের কথা বলরে এবার বল

►           একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনারগাঁয়

►          জন্ম আমার ধন্য হলো

►           গানের খাতায় স্বরলিপি লিখে

►          আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল

►           যার ছায়া পড়েছে

►           শুধু গান গেয়ে পরিচয়

►           ও পাখি তোর যন্ত্রণা

►           ইশারায় শীষ দিয়ে

►          চোখের নজর এমনি কইরা

►           এই মন তোমাকে দিলাম

►           মাগো মা ওগো মা

সেরা যত ছবি

সমাধি, নান্টু ঘটক, শাস্তি, চোর, সন্ধি, স্বাক্ষর, শর্ত, স্বাধীন, সমর, শ্রদ্ধা, স্নেহ, আম্মা, পরাধীন, তপস্যা, উল্কা, ক্ষুধা, রাগী, আর্তনাদ, জীবনের গল্প, এই যে দুনিয়া, পাষাণের প্রেম, হৃদয় ভাঙ্গা ঢেউ।

up-arrow